মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বাজারে এল আইফোন ১৫

- Advertisement -
Single page 1st Paragraph

বহু অপেক্ষার পর অ্যাপেলপ্রেমীদের জন্য বাজারে এল আইফোন ১৫। শুক্রবার চীন, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে আগ্রহী ক্রেতারা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে নতুন মডেলের আইফোন হাতে পেয়েছেন। এতদিন ওয়েবসাইটে অর্ডার ও প্রি-অর্ডার সুবিধা থাকলেও শুক্রবার থেকে দোকানে এসেছে আইফোন।

বিশ্লেষকরা জানান, আইফোন ১৫’র প্রি-অর্ডার প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষত, আইফোন ১৫ প্রো ও প্রো ম্যাক্স মডেলের উচ্চ চাহিদা দেখা গেছে। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি থাকায় প্রি-অর্ডার দেয়া প্রো মডেলের ডিভাইসগুলো ভোক্তার হাতে পৌঁছাতে অক্টোবরের শেষভাগ বা নভেম্বরের মধ্য পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।

এমন সময়ে নতুন আইফোন বাজারে এসেছে যখন টানা ৩ প্রান্তিক ধরে অ্যাপলের বিক্রি কমেছে। সর্বশেষ প্রান্তিকে অ্যাপলের রাজস্ব ছিল ৩৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার, যা এর আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২ শতাংশ কম।

বিশ্লেষক ওয়েডবুশের প্রাক্কলন মতে, ৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে ২৫০ মিলিয়ন আইফোন ব্যবহারকারী তাদের পুরনো ডিভাইস পরিবর্তন করেননি। নতুন ফোনে প্রসেসর ও ক্যামেরার উন্নয়ন এবং মোবাইল অপারেটরদের দেয়া ছাড়ে এ বছর অনেকেই নতুন ডিভাইস কিনবেন বলে মত দিয়েছে সংস্থাটি।

আন্তর্জাতিক বাজারে আইফোন ১৫, আইফোন ১৫ প্লাস, আইফোন ১৫ প্রো ও আইফোন প্রো ১৫ ম্যাক্সের দাম যথাক্রমে ৭৯৯, ৮৯৯, ১ হাজার ৯৯ ও ১ হাজার ১৯৯ ডলার।

সর্বশেষ আইফোনে তুলনায় উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন এসেছে। প্রো ও প্রো ম্যাক্সে টাইটানিয়ামের নির্মিত কেসিং যোগ করা হয়েছে। যার ফলে ফোনগুলো আগের তুলনায় আরও হালকা ও পাতলা হয়েছে।

৪৮ মেগাপিক্সেলের একটি মূল ক্যামেরা যোগ হয়েছে আইফোন ১৫র সব মডেলে। এতে রয়েছে বড় আকারের সেন্সর। শুধু প্রো ম্যাক্সে মডেলে যোগ করা হয়েছে ৫ এক্স অপটিকাল জুম ক্যামেরার জন্য নতুন টেলিফোটো লেন্স। প্রো মডেলের ডিজাইনও আগের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। নতুন ফিচারগুলোর জন্য আইফোনে যুক্ত করা হয়েছে আলট্রা-ওয়াইডব্যান্ড চিপ।

আইফোন ১৫ সাদা, কালো, গোলাপি, সবুজ ও হলুদ রঙে পাওয়া যাচ্ছে। আইফোন ১৫’র স্ক্রিন ৬ দশমিক ১ ইঞ্চি আর প্রোর স্ক্রিনের উচ্চতা ৬ দশমিক ৭ ইঞ্চি। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ফিচার হচ্ছে লাইটনিং পোর্টের বদলে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সুপরিচিত ইউএসবি-সি চার্জিং ব্যবস্থা। এখন অ্যাপলের ভোক্তারা একই ইউএসবি-সি চার্জার দিয়ে আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাক কম্পিউটার চার্জ দিতে পারবেন।

এক বছরের কম সময় আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেই, এই অঞ্চলে বিক্রির জন্য বাজারে আসা সব স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, ডিজিটাল ক্যামেরা, পোর্টেবল স্পিকার ও অন্যান্য ছোট ডিভাইসে ২০২৪ সাল নাগাদ ইউএসবি-সি চার্জিং সুবিধাযুক্ত করতে হবে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ডিভাইস কিনলেও ভোক্তারা যাতে একই চার্জার দিয়ে সবগুলো চার্জ দিতে পারেন, সেটা নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেই ইইউ।

এই বিভাগের সব খবর

বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য গবেষণা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য এবং আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামোর উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। আজ...

রাঙ্গামাটিতে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

জেলায় আজ জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাঙ্গামাটি পৌরসভার আয়োজনে এবং নগর পরিচালনা ও...

বাংলাদেশ-জাপান শীর্ষ বৈঠক: ৬.৩ বিলিয়ন ডলার বেসরকারি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো ও আইসিটি খাতে ১ ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েন (৬.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বেসরকারি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের...

সর্বশেষ

বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য গবেষণা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য এবং আধুনিক...

রাঙ্গামাটিতে জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

জেলায় আজ জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া...

বাংলাদেশ-জাপান শীর্ষ বৈঠক: ৬.৩ বিলিয়ন ডলার বেসরকারি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো ও আইসিটি খাতে ১ ট্রিলিয়ন জাপানি...

বাংলাদেশ-জাপান শীর্ষ বৈঠক: জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যে...

ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’: দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়...

জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি...