দেশে করোনা সংক্রমণ দ্রুত বাড়ার জন্য ওমিক্রনের নতুন উপধরণ বিএ পয়েন্ট ফোর-ফাইফকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া না হলে টিকার চতুর্থ ডোজ নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে এখনই প্রশাসনকে কঠোর হতে পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
জুনের মাঝামাঝিতে দেশে করোনা সংক্রমণ হার ৫ শতাংশের নিচে ছিল। কিন্তু কয়েকদিন ধরে বাড়ছে শনাক্তের সংখ্যা। আবারও করোনায় মৃত্যু হচ্ছে প্রায় প্রতিদিন। যদিও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে এখনও উদাসীন মানুষ।
করোনা সংক্রমণ বাড়ার পেছনে দ্রুত সংক্রমণশীল ওমিক্রনের নতুন উপধরণ বিএ পয়েন্ট ফোর ও বিএ পয়েন্ট ফাইফকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি না মানায় দ্রুত বাড়ছে সংক্রমণ।
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইমেরিটাস অধ্যাপক এবিএম আব্দল্লাহ বলেন, “ওমিক্রনের একটি সাব-ভ্যারাইটি বি-ফোর/বি-ফাইফ। এটা দ্রুত সংক্রমণশীল। একজন যদি কেউ আক্রান্ত হয়ে যায়, সে দশজনকেও ছড়াতে পারেন। এতো দ্রুত ছড়ায়। এই সাব-ভ্যারাইটির ক্যারেক্টার হলো আমরা যে টিকা নিচ্ছি এগুলো বাইপাস করে বা ওভারকাম করে। টিকা এটির বিরুদ্ধে কাজ করে না। ফলে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে যাচ্ছে।”
দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ করোনা টিকার দুই ডোজ সম্পন্ন করেছেন। আর বুস্টার নিয়েছেন প্রায় ৩ কোটি বেশি মানুষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকার অ্যান্টিবডি দীর্ঘমেয়াদী সুরক্ষা দেয়না। এজন্য টিকার চতুর্থ ডোজ নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলেও মনে করেন এই চিকিৎসক।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাটসহ সবখানে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে প্রশাসনকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

