চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মো. আইয়ুবকে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা থেকে আটক করেছে র্যাব। রোববার (২১ জুন) ভোরে র্যাব-৭-এর একটি দল বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দূরছড়ি বাজারের হাজীপাড়ায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। আটক আইয়ুব চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের শমশের পাড়া এলাকার আব্দুল মোনাফের ছেলে। চট্টগ্রাম র্যাব-৭এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ.আর. এম. মোজাফফর হোসেন, আইয়ুবকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, আইয়ুব তার আত্মীয় শাহ আলমের বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি আইয়ুবকে র্যাব বাঘাইছড়ি থেকে আটক করেছে। উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন (শনিবার) বেলা দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারের মোড়ে আশরাফিয়া ফার্মেসীর সামনে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক মাসুদকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। তাকে হত্যার ঘটনাস্থলসহ পুরো রাঙ্গুনিয়া উপজেলা জুড়ে প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে পড়ে। তিনি ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল খালেক চৌধুরী ছেলে। তিনি ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। এবং রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীর অনুসারী।
হত্যাকাণ্ডের ৬০ ঘন্টা পর নিহতের বড় ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বাদী হয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদের অনুসারী মো. রায়হানকে প্রধান আসামী করে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৭-৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে রাউজান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

