প্রায় ৬ ঘণ্টা পর রাত ১১টার সময় রীতিমতো বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করে টিয়ারশেল ছুঁড়ে জড়ো হওয়া উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে ধর্ষণে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে (৩৬) বাকলিয়া থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বাকলিয়া থানাধীন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার আবু জাফর রোডের বিসমিল্লাহ ম্যানশন থেকে তাকে আটক করতে হয়। এ ঘটনায় কয়েকজন সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জনের বেশি লোকজন আহত হয়েছেন। রাত ১১টার দিকে চসিক মেয়র ডা.শাহদাত হোসেন চমেকে ভর্তি আহত সাংবাদিকসহ অন্যান্যদের দেখতে যান।
এ সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়ে ও একটি পুলিশ ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেয়। অভিযুক্ত মনিরের বাড়ি কুমিল্লায়। তিনি বাকলিয়ায় একটি ডেকোরেটর প্রতিষ্ঠানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। ধর্ষণে অভিযুক্ত মনির ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাকে শয়তানে পাইছে। আমি দোষ স্বীকার করছি’।
পুলিশ জানায়, ডেকোরেশন কর্মচারী মনির চকলেটের লোভ দেখিয়ে সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে লোকজন রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনায় জড়িত ডেকোরেশনের কর্মচারী মনিরকে আটক করে। কিন্তু থানায় আনার পথে বিক্ষুদ্ধ লোকজন পুলিশের গাড়ি আটকে দেয়। তারা ধর্ষককে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। পরে বিক্ষোভ বাড়লে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সূত্রে জানা যায়, শিশুটিকে হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীর রয়েছে, এবং বর্তমানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

