বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীতে খালের বাঁধ অপসারণ করে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে : প্রকল্প পরিচালক

অনলাইন ডেস্ক
- Advertisement -
Single page 1st Paragraph

চট্টগ্রাম নগরীতে খালের সব অস্থায়ী বাঁধ অপসারণ করে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক ও ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন লেফটেন্যান্ট মো. মহসিনুল হক চৌধুরী।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে ৩৪ কনস্ট্রাকশন বিগ্রেড কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

লেফটেন্যান্ট মহসিন জানান, খালের দুপাশে রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণের জন্য অস্থায়ী বাঁধ দিয়ে পানি শুকিয়ে (ডিওয়াটারিং) কাজ করতে হয়। গত কয়েকদিনের অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে প্রবর্তক মোড়সহ কয়েকটি পয়েন্টে পানি জমে গিয়েছিল।

তিনি জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় বর্তমানে হিজড়া খালের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে এবং খালের সব অস্থায়ী বাঁধ অপসারণ করে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করা হয়েছে। প্রবর্তক মোড়ে গতরাতে জমা হওয়া বুক সমান পানি খাল পরিষ্কার করার পর রাত দেড়টার মধ্যেই নেমে যায়।

প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, পুরো শহরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ১৬টি কুইক রিঅ্যাকশন টিম গঠন করা হয়েছে। তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুততম সময়ে জলাবদ্ধ এলাকায় পৌঁছে নালা বা খাল পরিষ্কারের কাজ করবে।

এ ছাড়া বর্তমানে ২৯টি এক্সকাভেটর এবং পর্যাপ্ত জনবল নিয়ে বিভিন্ন খালের মাটি অপসারণের কাজ চলমান রয়েছে। বুধবার সকাল ৮টার মধ্যেই খালের সব অস্থায়ী বাঁধ অপসারণ করে পানির পথ পরিষ্কার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা আরও জানান, নগরীর মোট ৫৭টি খালের মধ্যে ৩৬টি খাল এই মেগা প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। ড্রেনেজ মডেলিং অনুযায়ী এই ৩৬টি খালের কাজ শেষ হলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো পুরোপুরি জলাবদ্ধতামুক্ত হবে। বাকি ২১টি খালের পরিষ্কারের কাজ বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন করছে, যার জন্য তারা ৪৫ কোটি টাকার বাজেট পেয়েছে। এই ২১টি খালের জন্য ভবিষ্যতে আলাদা একটি সরকারি প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা সম্পন্ন হলে চট্টগ্রামে দীর্ঘমেয়াদে জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সেনাবাহিনীর তদারকিতে চলমান জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় থাকা মোট ৩৬টি খালের মধ্যে অধিকাংশ খালের খনন ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। সংশোধিত মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে অবশিষ্ট কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। এ প্রকল্প শতভাগ বাস্তবায়িত হলে নগরীর জলাবদ্ধতা প্রায় ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে জানান জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক।

এই বিভাগের সব খবর

জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রামবাসীর কষ্টে দুঃখ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে তীব্র জলাবদ্ধতায় নগরবাসীর দুর্ভোগের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, যত...

সবাই মিলে সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়তে চাই : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মাবলম্বীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নমুখী চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি...

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাপানের কৃষিমন্ত্রী ও দেশটির সরকারের বিশেষ দূত সুজুকি নরিকাজু’র নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। আজ বুধবার বিকেলে জাতীয়...

সর্বশেষ

জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রামবাসীর কষ্টে দুঃখ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে তীব্র জলাবদ্ধতায় নগরবাসীর দুর্ভোগের বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন...

সবাই মিলে সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়তে চাই : চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন,...

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাপানের কৃষিমন্ত্রী...

চট্টগ্রামে নবনির্মিত নেভি মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নৌবাহিনী মেডিকেল কলেজের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার...

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা নিয়ে ঢাকা-বেইজিং আলোচনা

বাংলাদেশ ও চীন আজ বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট...

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ২ ফ্ল্যাটে রিসিভার প্রবেশের অনুমতি

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর গুলশানের দু’টি তালাবন্ধ ফ্ল্যাটে রিসিভারের...