বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
- Advertisement -
Single page 1st Paragraph

প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই সরকার কৃষক কার্ড চালু করেছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচিত সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে, কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সেইজন্যই এই কৃষক কার্ড আমরা দিয়েছি।’

দেশের ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ১৫ জন প্রান্তিক কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেয়ার মাধ্যমে সারাদেশে প্রি-পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

বেলা ১২টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপের বাটন চাপার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ দেশের ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের প্রত্যেকের কাছে মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্টে আড়াই হাজার টাকার নগদ অর্থ চলে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা নিশ্চয়ই অবগত হয়েছেন যে, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আমরা কৃষকের কাছে সরাসরি ১০টি সুবিধা পৌঁছে দিতে চেষ্টা করব ইনশআল্লাহ। ১০টি সুবিধার মাধ্যমে কৃষক তার অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন।’

বিএনপির চেয়ারম্যান দলের নির্বাচনি ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এই মঞ্চে যত মানুষ উপস্থিত আছেন হয়তো সবাই সরাসরিভাবে কৃষক বা কৃষির সাথে সম্পৃক্ত নন। কিন্তু আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ আছেন, যে মানুষটি কৃষির সাথে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশে আমরা যত মানুষ আছি তার মধ্যে চার কোটি পরিবার আছে তাদের পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে সম্পৃক্ত অর্থাৎ এই দেশের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিশ্বাস করে, বর্তমান নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে যে, এই দেশের কৃষক যদি সচ্ছল থাকে, এই দেশের কৃষক যদি বেঁচে থাকে, এই দেশের কৃষক যদি ভালো থাকে তাহলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সরকার পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লক্ষ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেবে।

ঢাকা থেকে থেকে সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি টাঙ্গাইলে শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম আসেন। বেলা ১২ টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন প্ল্যাসের সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে ১১টি উপজেলার ২২ হাজার ৬৭ জন কৃষকের প্রত্যেকের মোবাইলের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্টে আড়াই হাজার টাকার নগদ অর্থ চলে যায়। টাঙ্গাইলে ১৪শ’ ৫৩ জন কৃষক-কৃষাণীরা এই অর্থ পেয়েছেন।

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে ১৫ জন কৃষক-কৃষাণীর হাতে কৃষক কার্ড এবং গাছের চারা তুলে দেন। তিনি কৃষক-কৃষাণীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘এই যে গাছের চারা দিচ্ছি, তা বড় হলে ফল কিন্তু আমার জন্য পাঠাবেন।’

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে কৃষক ও কৃষি ক্ষেত্রে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, যার মাধ্যমে আমরা দেখেছিলাম এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষিতে মোটামুটিভাবে শস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। আমরা দেখেছি দেশে ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিল। সেই বাংলাদেশে আমরা দেখেছি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুধুমাত্র খাল খনন করার ফলে, কৃষক সেচ সুবিধা পাওয়ার ফলে কৃষির উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছিল। সেই সময় এই বাংলাদেশ থেকে অল্প পরিমাণে হলেও বিদেশে খাদ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হয়েছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যতবার দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে, বিএনপি সরকার কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। আপনারা বিএনপির ওপরে বিগত নির্বাচনে আস্থা রেখেছেন ইনশাআল্লাহ এই সরকার আপনাদের সেই আস্থার পূর্ণ মর্যাদা দেবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাই, এখন আমাদের দেশ গড়ার সময়। কৃষক ভাইদের পাশে আমরা যেমন দাঁড়াবো, একই সাথে দেশের কৃষাণী বোনসহ দেশের যে নারী সমাজ আছেন তাদের পাশে দাঁড়াবো।’

দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘নারী সমাজকে যদি আমরা স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে না পারি তাহলে এই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব না। সেই কারণেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, আমরা যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হই তাহলে বাংলাদেশের মা-বোনদের জন্য, নারীদের জন্য, পরিবারের নারী প্রধানের জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করবো। আল্লাহর রহমতে সেই কাজটি পাইলট প্রজেক্ট আকারে আমরা শুরু করতে সক্ষম হয়েছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে আগামী পাঁচ বছরের ভিতরে আমরা পরিবারের সকল নারী প্রধানের কাছে এই কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। এই সরকার কৃষক বলুন, দেশের মা-বোনদের কথা বলুন, মসজিদের ইমাম-খতিব সাহেব সহ অন্যান্য ধর্মীয় গুরু যারা আছেন তাদের কথা বলুন, ছাত্রদের কথা বলুন, দল-শ্রেণী-পেশা নির্বিশেষে প্রত্যেকটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবে।’

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। সেজন্যই আমরা বলে থাকি, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আসুন আমরা এই দেশের প্রত্যেকটি নাগরিক আমরা রাজনীতি করি বা না করি, আমরা কৃষক হই বা না হই, আমরা ছাত্র হই না হই, আমরা ব্যবসায়ী হই বা না হই, যে মানুষই হয়ে থাকি না কেন, যে পেশার মানুষ হয়ে থাকি না কেন, প্রত্যেকের আমাদের একটি আকাঙ্ক্ষা আছে… নিজের দেশটিকে আমরা ভালো দেখতে চাই। নিজের দেশটিকে আমরা সুন্দর দেখতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমরার দেখতে চাই দেশের মানুষ নিরাপদে বসবাস করছে। এই দেশের সন্তানেরা এদেশেই বড় হচ্ছে ,স্বাচ্ছন্দে বড় হচ্ছে, খেয়ে পড়ে, ব্যবসা বাণিজ্য, চাকরি বাকরি করে নিরাপদ ও নিরাপত্তার সাথে বড় হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য সেটাই। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে চাই। কিন্তু সেই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব একমাত্র যদি জনগণের সহযোগিতা থাকে। সেজন্যই আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে চলতে চাই, জনগণকে পাশে রেখে চলতে চাই, জনগণকে সাথে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই, দেশ গঠন করতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে এই কৃষক কার্ড উদ্বোধন করার মাধ্যমে আবারো আমি বাংলাদেশের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শুরুতে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘এই যে পহেলা বৈশাখ আজকের এই অনুষ্ঠানটি, পহেলা বৈশাখ কিভাবে আসল নিশ্চয়ই অনেকেরই আপনাদের ধারণা আছে। যদিও বর্তমানে এটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে রূপ নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখটি আসলে আমাদের এই বাংলাদেশের কৃষকদের সাথে সম্পৃক্ত। কৃষির ক্ষেত্রে হোক, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে হোক, কৃষকরা তাদের হিসাবের খাতাটি নতুন করে পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু করেন। সেখান থেকে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানটি এসেছে। যেহেতু পহেলা বৈশাখের মূল বিষয়টি আমাদের কৃষক ভাইদের সাথে জড়িত, কৃষাণী বোনদের সাথে জড়িত- সেজন্যই আমরা কৃষক কার্ড প্রদানের এই অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন ঘোষণা করলাম।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষকদের জন্য ইতিমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।

কৃষি পণ্য বাজারজাতকরণ ও কৃষকদের ন্যায্য মূল্য পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশেষ করে উত্তর অঞ্চল সহ বাংলাদেশের যেসব অঞ্চল কৃষি নির্ভরশীল এলাকা সেই সকল অঞ্চলে কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব, কৃষাণী বোনদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব, আমরা কৃষিতে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করব। একই সাথে আমাদের চেষ্টা থাকবে যে শুধু কৃষি পণ্য উৎপাদন করলেই চলবে না, সেই সকল অঞ্চলে কিভাবে কৃষি পণ্যের সাথে সম্পৃক্ত যে সব কল কারখানা আছে সেগুলোও যাতে প্রতিষ্ঠিত করা যায় তার ব্যবস্থা নিতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, কৃষক যাতে তার পণ্যের মূল্য আরো বেশি পেতে পারে, যাতে করে আমাদের কৃষিজাত পণ্য বিদেশেও রপ্তানি করতে পারি সেই জন্য আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

তিনি বলেন, ‘আপনারা গতকাল খবরে দেখেছেন— গতকাল বাংলাদেশের যে সকল ব্যবসায়ী এই কৃষিজাত পণ্যের ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত, যাদের কৃষিজাত পণ্যের কলকারখানা আছে, তাদের সাথে প্রায় চার ঘণ্টা বৈঠক করেছি। তাদের সমস্যার কথা শুনেছি এবং অনেকগুলো সমাধানের চেষ্টা আমরা করেছি। যাতে করে তারা আরো বেশি বিনিয়োগ করতে পারে, আরো বেশি মানুষকে সম্পৃক্ত করতে পারে, আরো বেশি কৃষি পণ্য কৃষক ভাইদের কাছ থেকে কিনতে পারে এবং সেই সকল পণ্যকে তারা বিদেশে রপ্তানি করতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, তাতে একদিকে যেমন কৃষক ভাইদের সুবিধা হবে, একইভাবে দেশের জন্য আমরা মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক ভাইদের অনেক সমস্যা আছে। যেমন, টাঙ্গাইলের আনারস বিখ্যাত। এই আনারসের প্রচুর ফলন। কিন্তু, এই আনারসকে আমরা প্রিজার্ভ করে রাখতে পারি না।

তিনি বলেন, আনারসটা সিজনের পরেও যাতে আমরা রাখতে পারি। কোল্ড স্টোরেজ বা সেরকম প্রক্রিয়াজাত করার কিছু নেই এরকম অনেক পণ্য আছে বাংলাদেশে, সেগুলোকে আমরা যদি প্রক্রিয়াজাত করে রাখতে পারি, কোল্ড স্টোরেজ করে রাখতে পারি— তাহলে কৃষক ভাইয়েরা লাভবান হবেন।

কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত সচিব সেলিম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি, কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ বক্তব্য রাখেন।

এই বিভাগের সব খবর

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, আমরা একসঙ্গে কাজ করি...

বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

সরকার দেশের বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী...

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে ৫ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন, সহিংসতা...

সর্বশেষ

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও...

বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

সরকার দেশের বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ...

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে ৫ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে পাঁচ দফা...

আরও ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বাংলাদেশের সিদ্ধান্তকে স্বাগত যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশ আরও ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্বাগত...

পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পোশাক খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ...

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অস্থিরতা রাজনৈতিক-প্রশাসনিকভাবে মোকাবিলা করা হবে : পানিসম্পদমন্ত্রী

পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন,...