চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) একেএম ফজলুল্লাহর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল, তার আমলে সংঘটিত দুর্নীতি ও অনিয়মের তদন্ত এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির দাবিতে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বৈষম্য বিরোধী নাগরিক সমাজ চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দ গতকাল চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয় যে, এমডি ফজলুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে পদে বহাল রেখে তার অধীনেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা হাস্যকর। তারা দাবি করেন যে, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এমডিকে অব্যাহতি দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা উচিত।
নেতৃবৃন্দ আরও অভিযোগ করেন যে, ফজলুল্লাহ গত ১৬ বছর ধরে ৮ দফায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন এবং এই সময়ে ওয়াসায় ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। তারা ১৪ বারের বেশি পানির দাম বাড়ানো, শহরের এক তৃতীয়াংশ মানুষকে পানি বঞ্চিত রাখা, প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি এবং নিজের মেয়ের প্রতিষ্ঠানকে ঠিকাদার নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় যে, অনিয়মে জড়িত এমডির আত্মীয়স্বজন ও ওয়াসা কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে দেশত্যাগ শুরু করেছেন এবং এমডি ফজলুল্লাহও যেকোনো সময় দেশ ত্যাগ করতে পারেন। তাই তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠানে ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, ছাত্র নেতা রাসেল উদ্দীন, রায়হান উদ্দীন ও মানবাধিকার নেতা ওসমান জাহাঙ্গীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উপদেষ্টার একান্ত সচিব মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন ও সহকারী একান্ত সচিব মোঃ আবিদ চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

