ফিফা র্যাংকিং,গেলো বিশ্বকাপ আর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে এশিয়ার সেরা দল নিঃসন্দেহে জাপান।
এশিয়ান কাপের সকল আসরেই তাঁরা ফেভারিট হিসেবে বিবেচিত হয়।এবার তো অনেকেই জাপানের হাতে শিরোপা দেখতে পাচ্ছেন।শিরোপা জেতার মিশনে আজ নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমে জয় দিয়েই টূর্নামেন্ট শুরু করেছে সামুরাইরা।ভিয়েতনামকে তাঁরা হারিয়েছে ৪-২ গোলে।
এটুকু শুনলে আপনি স্বাভাবিক ফল ভেবে এড়িয়ে গেলে সত্যি বলতে মিস করলেন চরম ক্লাইমেক্স।
হ্যাঁ,ক্লাইমেক্সের চেয়েও কম কিছু হয়নি আজ কাতারের আল থুমামা স্টেডিয়ামে।সেখানে আজ মুখোমুখি হয়েছিল বিশ্ব ফুটবলের বিশ নম্বর দলের সাথে পঁচানব্বই নম্বর দল।হ্যাঁ,ফিফার সবশেষ র্যাংকিংয়ে দুই দলের অবস্থান তাই।
কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে কিন্তু মনেই হয়নি লড়াইটি দুই অসম শক্তির।খেলার ১১ মিনিটেই তিমো মিনামিনোর গোলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় জাপান।গোল খেয়ে যেনো আহত বাঘ হয়ে ওঠে ভিয়েতনামের ফুটবলাররা।
আক্রমণের ঢেউ তোলে জাপানের রক্ষনে।১৬ মিনিটের সময় দিও নগুয়েমের নান্দনিক গোলে সমতায় ফেরে ভিয়েতনাম।উজ্জীবিত ভিয়েতনাম খেলোয়াড়েরা সবটা নিংড়ে দিয়ে খেলতে থাকে আল থামামায়।৩৩ মিনিটে তো সবাইকে হতবাক করে দিয়ে তিও হান ফিওর গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তাঁরা।
বুঝিবা সামুরাইদের টনক নড়ে তখনই।খেলায় ফেরার চেষ্টায় গোছানো আক্রমণে ওঠে তাঁরা।৪৫ মিনিটে আবার তিমো মিনামিনোর গোলে ২-২ সমতায় ফেরে জাপান।প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের শেষ মূহুর্তে তারকা ফুটবলার কোইসিকু নাকামুরা গোল করলে ৩-২ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় দুই দল।দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের সামর্থের সবটা দিয়ে চেষ্টা করে ভিয়েতনাম সমতাসূচক গোলের জন্য।কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি।উল্টো ৮৫ মিনিটে নাকামুরার এসিষ্ট থেকে উয়েদা গোল করলে ৪-২ গোলে এগিয়ে যায় জাপান।
শেষ পর্যন্ত ঐ ব্যবধানেই স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে এশিয়ার ফুটবল পরাশক্তি জাপান।আর হেরেও দর্শক এমনকি জাপানের খেলোয়াড়দের মনও জিতে নেয় ভিয়েতনাম ফুটবলারেরা।

