কয়েকদিন আগে ভারতে বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে বাজিমাত করা অসি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স এবার বাজিমাত করলেন আইপিএল নিলামে রেকর্ড মূল্যের খেলোয়াড় হয়ে। তার ভিত্তি মূল্য ছিল দুই কোটি রুপি।তবে ভিত্তি মূল্যের চেয়েও ১০ গুণ বেশি দামি প্যাট কামিন্সকে দলে ভিড়িয়েছে হায়দ্রাবাদ।২০ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে বিক্রি হলেন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কামিন্স।আইপিএল নিলামে ইতিহাস তৈরি গড়লেন তিনি।যদিও তা মাত্র দুই ঘন্টার জন্য। হ্যাঁ,আপনি ঠিকই শুনছেন।যখন কামিন্সই হতে চলেছেন আইপিএল ইতিহাসের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় বলে সবাই ধরে নিয়েছিলো,নিলাম তখনো শেষ হয়নি।শেষ সময়ে এসে পাল্টে যায় দৃশ্য।আট বছর পর আইপিএল খেলার ঘোষণা দেওয়া মিচেল ষ্টার্ককে নিয়ে তখন বিড চলছিলো কেকেআর ও গুজরাটের মধ্যে।শেষ পর্যন্ত ২৪ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে কেকেআর কিনে নেয় ষ্টার্ককে। আর তিনি হয়ে যান আইপিএল ইতিহাসের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড়।
অন্যদিকে একমাত্র বাংলাদেশী খেলোয়াড় হিসেবে দল পেয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান।ফিজ নামে পরিচিত এই বোলারকে তাঁর ভিত্তিমূল্যেই দলে নিয়েছে চেন্নাই। ক্রিকেটে সম্প্রতি সময়টা ভালো কাটছে না মুস্তাফিজুর রহমানের। বাংলাদেশের তারকা এই পেসারকে দলে রাখেনি আইপিএলের দল দিল্লি ক্যাপিটালস।নিলামের আগে তাকে ছেড়ে দেয় দলটি।তবে ঠিকই দল পেলেন মুস্তাফিজ। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত আইপিএলে নিলামে গত ১৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার তাঁকে কিনে নিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস।যদিও বিভিন্ন অনিশ্চয়তা ছিলো তাঁকে নিয়ে,তবুও তাঁকে দলে ভিড়িয়েছে আইপিএল আসরে সবচেয়ে বেশিবার শিরোপা জয়ী দল চেন্নাই সুপার কিংস। আগামী আইপিএলে পুরো মৌসুম খেলার ছাড়পত্র পাননি মুস্তাফিজ।বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাকে সেই অনাপত্তিপত্র দেয়নি।পাশাপাশি সর্বোচ্চ ভিত্তিমূল্য দুই কোটি রুপির ক্যাটাগরিতে থাকায় তাঁকে নিয়ে কেউ আগ্রহ দেখায় কিনা সেটিও একটি প্রশ্ন ছিল। শেষ পর্যন্ত সব শঙ্কা কাটিয়ে দল পেলেন মুস্তাফিজ। মুস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য ধরা হয় দুই কোটি রুপি। এই মূল্যেই তাকে কিনেছে চেন্নাই।মুস্তাফিজকে পেতে চেন্নাইয়ের বেগ পেতে হয়নি।নিলামে নাম উত্থাপিত হলে কেউ বিড না করায় প্রথম ডাকেই তাকে দলে ভেড়ায় চেন্নাই।যদিও, নিলাম শুরুর আগে শঙ্কা ছিল এই পেসারকে নিয়ে।

