দক্ষিন আফ্রিকা সফররত বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১২৯ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে জাতিকে মহান বিজয় দিবসে আরেকটি বিজয়ের সুখবর দিয়েছে।দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের ব্যবধানের কারণে ম্যাচ যখন শেষ হয় বাংলাদেশে তখন মধ্যরাত।কিন্তু বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট তখন নতুন সূর্যের আলোয় নতুন দিনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।হ্যাঁ, আমাদের মেয়েদের পারফরম্যান্স,প্ল্যানিং,বডি ল্যাংগুয়েজ সবকিছুতে এখন পেশাদার ও ভালো দলের দৃশ্যটা স্পষ্ট দৃশ্যমান হয়।প্রতিপক্ষ নিয়ে না ভেবে নিজেদের সেরাটি দিতে মুখিয়ে থাকে। আপনি আশাবাদী হতেই পারেন।এই মেয়েরা আগামীতে আরও অনেক সাফল্য এনে দিবে বাংলাদেশকে। ইষ্ট লন্ডনের বাফেলো পার্কে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশকে ভালো সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার শামীমা ও ফারজানা।
৬৬ রানের জুটি গড়ে একটা ভালো সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়ে যায়।সেই ভিতের উপর দাঁড়িয়ে মুর্শিদার নেতৃত্বে ব্যাট করতে নামা সবাই কমবেশি রান করলে নির্ধারিত ওভার শেষে বাংলাদেশ তিন উইকেটে ২৫০ রানের রেকর্ড টোটাল দাঁড় করায়।হ্যাঁ,এটাই ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ নারী দলের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।অনবদ্য ব্যাটিংয়ে অপরাজিত ৯১ রান করেন মুর্শিদা।হয়তো সেঞ্চুরিটাও পেয়ে যেতে পারতেন,কিন্তু শেষ ওভারে মাত্র একটি বল খেলার সুযোগ পান।তাই ম্যাজিক ফিগারটি ছুঁতে না পারার আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। ২৫২ রানের লক্ষ্যে নেমে দলীয় ৯ রানে পরপর দুই উইকেট হারানো দক্ষিণ আফ্রিকার মেয়েরা ম্যাচে আর ফিরতে পারেনি।বাংলাদেশী বোলারদের সম্মিলিত ভালো বোলিং তাঁদের সেই সুযোগই দেয়নি।
ফল স্বরূপ ৩৬.৩ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।বাংলাদেশ পায় ১২৯ রানের বিশাল জয়।বিজয় দিবসের বিশেষ দিনে মেয়েদের এই জয় দেশের মানুষকে দেওয়া উপহার বলাই যায়।বোলারদের সবাই ভালো বোলিং করেন।নাহিদা নেন তিনটি আর সুলতানা, রাবেয়া ও ফাতেমা নেন দুটি করে উইকেট। সংক্ষিপ্ত স্কোর:- বাংলাদেশ ২৫০/৩(৫০) মুর্শিদা ৯১*,নিগার ৩৮,ফারজানা ৩৫, শামীমা ৩৫। দক্ষিণ আফ্রিকা:- ১৩১/১০(৩৬.৩) এলিস মেরি ৩৫,নাহিদা ৩/৩৩। ফলাফল:- বাংলাদেশ ১২৯ রানে জয়ী। ওম্যান অফ দ্য ম্যাচ:- মুর্শিদা খাতুন।ও

