রুপগঞ্জ এর চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস “রাজমিস্ত্রী সুমন হত্যা মামলার’’ দুই জন পলাতক আসামী ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের মাদবর বাজার এলাকা হতে র্যাব-১১ এর হাতে গ্রেফতার করেছে।
প্রথমিক তদন্ত সূত্রে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় নারায়ণগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ এর চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস “রাজমিস্ত্রী সুমন হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত সন্দিগ্ধ আসামী। উল্লেখ্য যে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাত অনুমান ২.১৫ টার সময় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রাজমিস্ত্রী সুমন (৩৫)কে হত্যা করে। দুর্বৃত্তরা তাকে বাড়ী থেকে ডেকে পলাশের কয়েল ফ্যাক্টরীর পিছনে মন্টুর বাড়ীর সামনে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দ্বারা ভিকটিমের গলার নীচে, সামনে, গলার বাম পাশে, বুকের বাম পাশে, বাম হাতের জয়েন্টের উপর, বাম হাতের বাহুতে, কাধের ডান পাশে পিছনে, পিঠের ডান পাশে কুপিয়ে গুরুতর আহত করলে, ভিকটিম বাঁচার জন্য কোপ খেয়ে আহত অবস্থায় দৌড়ে পলাশের কয়েল ফ্যাক্টরীর সামনে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল হতে ভিকটিম সুমন এর মৃতদেহ উদ্ধার করে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতাল নারায়নগঞ্জ এর মর্গে প্রেরন করা হয়। এই ঘটনায় নিহত ভিকটিম সুমন (৩৫) এর মা মোছাঃ নার্গিস বেগম (৬৪) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনার পর থেকে গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ আরমান (৩৫) এবং ২। সেতুল (২৯) আত্মগোপনে ছিল।
নিহত রাজমিস্ত্রী সুমন নারায়নগঞ্জের রুপগঞ্জ থানার রসুলপুর গ্রামের মৃত কালু মিয়ার পুত্র।
এই নৃশংস হত্যাকান্ডের ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক আসামীদ্বয়’কে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১১, সদর কোম্পানি, নারায়ণগঞ্জ এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে তাদের অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাকত আসামী ১। মোঃ আরমান (৩৫), পিতা-রঙ্গু বেপারী, মাতা-ফুলবানু এবং ২। সেতুল (২৯), পিতা-মোঃ জালাল উদ্দিন, মাতা-মোছাঃ মিনারা, উভয় সাং-ছাতিরচর, থানা-নিকলী, জেলা-কিশোরগঞ্জদ্বয়’কে সনাক্ত ও তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রবিবার(১ অক্টোবর) ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থানাধীন মাদবর বাজারস্থ আশ্রাফাবাদ রোড এলাকা হতে আসামীদ্বয়’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়’কে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

