তাহলে কি আমরা তথা বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টিতেও ভালো দল হয়ে উঠেছে?বিশেষ করে ২০২৩ সালের রেকর্ড কিন্তু এটাই প্রমান করে।বাংলাদেশ ওডিআই ফরম্যাটে বিশ্বের অন্যতম ভালো দলের স্বীকৃতি পেয়েছে কয়েক বছর আগেই।কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে এমনকি আইরিশদের বিপক্ষেও আন্ডারডগ হিসেবে মাঠে নামতো তাঁরা।সেই দলটিই এ বছর ইংল্যান্ডকে ৩-০, আয়ারল্যান্ডকে ২-১,আর আফগানিস্তানকে ২-০ তে হারিয়ে সিরিজ জিতলো! আফগানিস্তান যখন পূর্নাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসে,তখন টেস্ট ও ওডিআইতে বাংলাদেশ ফেভারিট থাকলেও টি-টোয়েন্টিতে সকলের বাজিটা আফগানদের পক্ষেই ছিলো।এই ফরম্যাটে তাঁরা বিশ্বের অন্যতম সেরা দল হিসেবে স্বীকৃত।পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের কৃতিত্ব নিয়ে বাংলাদেশ সফরে আসা আফগানিস্তান শেষ পর্যন্ত ২-০ তে সিরিজ হেরে শেষ করলো তাঁদের বাংলাদেশ মিশন। আজ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে টস জিতে আফগানিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠান সাকিব আল হাসান।বৃষ্টি বাঁধায় ম্যাচটি ১৭ ওভারে নির্ধারিত হয়।
শুরুতে তাসকিনের তোপের মুখে ১৬ রানে দুই উইকেট হারায় আফগানিস্তান।তখনই বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।বৃষ্টি শেষে খেলা শুরু হলে নির্ধারিত ১৭ ওভারে ৭ উইকেটে ১১৬ রান সংগ্রহ করে তাঁরা।বাংলাদেশী বোলারদের উপর আফগান ব্যাটাররা আজ চড়াও হবার সুযোগ পাননি।ওমরজাই কিছুটা ভীতি ছড়ালেও সাকিব তাঁকে থামিয়ে দিলে আফগানদের ইনিংস তেমন গতি পায়নি।পুরো সিরিজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আজও দারুণ মিতব্যায়ী বোলিং করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।তাসকিন তিন উইকেট পেলেও রান দেন ৩৩, সাকিব আল হাসান ২ উইকেট নেন ১৫ রান খরচায়। ১১৭ রানের লক্ষ্যে আজ ওপেনিংয়ে লিটন দাসের সঙ্গী হন আফিফ হোসেন।রীতিমতো উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দু’জন।লিটন দাস ছিলেন বেশী আগ্রাসী মুডে।দলীয় ৬৭ রানে প্রথম উইকেট হারানো বাংলাদেশ পলকেই ৭৬/৩ এ পরিণত হয়।সাকিব উইকেটে এসে আগের ম্যাচের হিরো তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে ৫ বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করেন।দলের পক্ষে লিটন দাস ৩৫ রান করেন। দুই ম্যাচেই দূর্দান্ত পারফর্ম করা সাকিব আল হাসান ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ও সিরিজ সেরার পুরস্কার পান। সংক্ষিপ্ত স্কোর:- আফগানিস্তান ১১৬/৭(১৭), ওমরজাই ২৫,তাসকিন ৩/৩৩,সাকিব ২/১৫। বাংলাদেশ ১১৯/৪(১৬.১) লিটন দাস ৩৫। ফলাফল:-বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ:- সাকিব আল হাসান। ম্যান অফ দ্য সিরিজ:- সাকিব আল হাসান।

