দিনের প্রথম ম্যাচে লেবাননের কাছে মালদ্বীপের পরাজয় বাংলাদেশের জন্য সেমিফাইনালের সমীকরণ সহজ করে দিয়েছিলো।ভূটানের সাথে ড্র করলেই সেমিতে উঠে যাবে বাংলাদেশ।অুপর দিকে ভূটানের জন্য হারানোর কিছু ছিলোনা এই ম্যাচে।তাই বোধহয় শুরুতেই ভড়কে দেওয়া ফুটবল খেলতে থাকে ভূটান।
এমনকি খেলার ১২ মিনিটে গোল করে তো রীতিমতো আতংক ছড়িয়ে দেন জিগমে দর্জি।দারুণ এক আক্রমণ থেকে গোল করে ভূটানকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন তিনি।গোল হজম যেনো শাপেবর হয়ে আসে বাংলাদেশের জন্য।দ্রুতই খেলায় ফিরে আসে জামাল ভূঁইয়ারা।মাঝ মাঠের দখল নিয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে বাংলাদেশ।ফলও পেয়ে যায় দ্রুত।খেলার ২১ মিনিটে চমৎকার এক গোল করে আবারও নিজেকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ হিসেবে মেলে ধরেন তরুণ মোরসালিন।খেলায় ১-১ সমতা আসে।স্বস্তি ফিরে পুরো দেশের ফুটবল প্রেমীদের মাঝে।গোল পরিশোধ করে উজ্জীবিত বাংলাদেশ মূহুর্মূহু আক্রমণে ভূটান ডিফেন্সকে বেসামাল করে তোলে।বিশেষ করে রাকিব মোরসালিন জুটি বারবার আতংক ছড়িয়ে দিচ্ছিলো ভূটান শিবিরে।৩০ মিনিটে মোরসালিন ক্রস বাড়ান ভূটানের ডি-বক্সের ভিতর রাকিবের উদ্দেশ্যে।সেই ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে জিগমে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দিলে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে গিয়েও আক্রমণের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। ছয় মিনিট পর তথা খেলার ৩৬ মিনিটের সময় রাকিবের গোলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।এই লীড নিয়েই বিরতিতে যাওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয়ার্ধে নেমে হিসেবী ফুটবল খেলতে থাকে।ভূটান সেই সুযোগে চড়াও হলেও বাংলাদেশের রক্ষন ভাঙতে পারেনি।শেষ পর্যন্ত দুই দলের কেউই গোল করতে না পারায় ৩-১ গোলের জয় নিয়েই দীর্ঘ ১৪ বছর পর সাফের সেমিফাইনালে উঠে দেশবাসীকে ঈদ উপহার দেয় বাংলাদেশ ফুটবল দল।বঙ্গবন্ধু সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে আগামী ১লা জুলাই শনিবার কুয়েতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ দল।

