দুই দলের দুই ব্যাটসম্যানের দূর্দান্ত ফর্ম দুই দলকেই বিগ স্কোর করতে বা বিগ টার্গেট ছুঁতে মূল ভূমিকা রাখছে।একজন নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল,অন্যজন পাকিস্তানের ফখর জামান।দুই দলের মধ্যে চলমান পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচেই প্রায় একই চিত্রনাট্য মঞ্চস্থ হলো।প্রথম ওয়ানডের মতো পিন্ডিতে আজকের দ্বিতীয়টিতেও টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠায় পাকিস্তান।কিউইদের হয়ে প্রথম ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ড্যারিল মিচেল জ্বলে উঠলেন।অধিনায়ক টম ল্যাথামকে নিয়ে ১৮৩ রানের পার্টনারশীপ গড়লেন।
দলীয় রানও হলো এবার ৩৩৬।মাত্র দুই রানের আফসোসে পুড়লেন ল্যাথাম।৯৮ রানে আউট হয়ে সেঞ্চুরি মিস করলেন।আট চার আর তিন ছক্কায় ড্যারিল মিচেল ১১৯ বলে করলেন ১২৯ রান।টি টোয়েন্টি সিরিজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে হারিস রউফ ৭৮ রানে নিলেন চার উইকেট। এতো বিশাল লক্ষ্য দেখে মনে হচ্ছিল সিরিজে ফিরে আসবে কিউইরা।কিন্তু ফখর জামান শো তখনো বাকী ছিলো।প্রথম ওয়ানডেতে ড্যারিল মিচেলের সেঞ্চুরির জবাবে সেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়েছিলেন।
আজও ড্যারিল মিচেলের সেঞ্চুরির জবাবে ফখর জামান প্রায় ডাবল করে দলকে হেসেখেলে জিতিয়ে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়লেন।আজকের ফখর জামান ছিলেন অনেক বিধ্বংসী।সতেরোটি বাউন্ডারি ও ছয়টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১৪৪ বলে করলেন অপরাজিত ১৮০ রান।এই রাজসিক ইনিংস খেলার পথে অধিনায়ক বাবর আজমকে নিয়ে গড়লেন ১৩৫ রানের জুটি আর মোহাম্মদ রিজওয়ানকে নিয়ে ১১৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচের দশ বল হাতে রেখেই দলকে এনে দিয়েছেন সাত উইকেটের বিশাল জয়।সেঞ্চুরি করে প্রথম ম্যাচের মতো আজকের ম্যাচেও পরাজিত দলের ভাগ্যবরন করতে হলো ড্যারিল মিচেলকে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:-নিউজিল্যান্ড ৩৩৬/৫(৫০) ড্যারিল মিচেল ১২৯,টম ল্যাথাম ৯৮, হারিস রউফ ৪/৭৮। পাকিস্তান:-৩৩৭/৩(৪৮.২) ফখর জামান ১৮০*,বাবর আজম ৬৫,রিজওয়ান ৫৪*। ফল:- পাকিস্তান সাত উইকেটে জয়ী। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ:-ফখর জামান।
