ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি প্রদর্শন করে বিশ্বে নতুন উত্তেজনা ও শঙ্কা জাগিয়ে তুলছে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া। ২৪০টি বিমান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে বুধবার (২ নভেম্বর) সকালে উত্তর কোরিয়া নতুন ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রথমবারের মতো গিয়ে পড়ে দক্ষিণ কোরিয়ার উপকূলীয় জলসীমার কাছে। খবর রয়টার্সের।
এ ঘটনাকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক ইওল কার্যকরীভাবে আঞ্চলিক আক্রমণ বলেছেন।
জবাবে দক্ষিণ কোরিয়াও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী বলেছে, উত্তর কোরিয়াকে জবাব দিতে এনএলএল সীমারেখার কাছে তিনটি এয়ার টু গ্রাউন্ড ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট ইওনের দপ্তর থেকে হুশিয়ারি দিয়ে বলা হয় ‘দৃঢ় ও কঠোর’ ব্যবস্থা নেওয়া হবে যেন ‘উত্তর কোরিয়া উস্কানির মূল্য দেয়’। এমন হুশিয়ারি দেওয়ার পরই পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে উত্তর কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ (জেসিএস) জানায়, উত্তর কোরিয়ার উপকূলীয় এলাকা ওনসান থেকে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছিল তিন ধরনের স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে একটি। পরবর্তীতে জেসিএস জানায়, সবমিলিয়ে কয়েক ধরনের ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে উত্তর কোরিয়া।
জেসিএস বলেছে অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র এনএলএল সীমারেখার ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং ওলেউং দ্বীপ থেকে ১৬৭ কিলোমিটার দূরে আছড়ে পড়ে। এসব জায়গায় কয়েকবার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়।
ওলেউং দ্বীপের একজন কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আমরা সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে প্রথম সাইরেনের শব্দ শুনতে পাই। আমরা সবাই বেজমেন্টের ভেতর আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাই। আমরা সকাল ৯টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত উপরের দিকে ওঠে আসা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করি নিক্ষিপ্ত বস্তুটি সমুদ্রে আছড়ে পড়ার পর।
এদিকে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বুধবার ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ মহড়ার জবাবে।
ইউডি

