থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ নং বুয়া লম্ফুতে একটি ডে-কেয়ার সেন্টারে সাবেক এক পুলিশ সদস্যের এলোপাতাড়ি গুলিতে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ওই পুলিশ সদস্য তার স্ত্রী ও সন্তানকে খুন করার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।
থাই পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে থাইল্যান্ডের ডে কেয়ার সেন্টারটিতে হামলা চালানো হয়। হামলাকারী ব্যক্তি পুলিশের সাবেক এক কর্মকর্তা ছিলেন।
জেলা কর্মকর্তা জিদাপা বুনসোম জানান, নিহতদের মধ্যে ২২টি শিশু রয়েছে। মাদকসংশ্লিষ্টতার কারণে ওই পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। ডে-কেয়ার সেন্টারটিতে দুপুরের খাবার সময় ৩০টি শিশু ছিল। হামলাকারী প্রথমে ওই ডে-কেয়ার সেন্টারের পাঁচ থেকে ছয়জন কর্মীকে গুলি করেন। আশপাশের মানুষ প্রথম ভেবেছিল এটি কোনো আতশবাজি ফোটানোর ঘটনা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, উথাই সাওয়ান শহরে শিশুদের মরদেহ পড়ে আছে। তবে এই ভিডিও সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
থাইল্যান্ডে এমন বন্দুক হামলার ঘটনা বিরল। ২০২০ সালে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দেশটিতে এক সেনা সদস্যের গুলিতে ২৯ জন নিহত ও ৫৭ জন আহত হন। সূত্র: এনডিটিভি
বিবিসি জানায়, থাই পুলিশের এক বিবৃতি জানানো হয়েছে, নিহতদের মধ্যে শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকরাও রয়েছেন। হামলাকারী শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন। তবে কী কারণে তিনি এই হামলা চালিয়েছেন তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে সম্প্রতি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ইউডি

