কাতার এশিয়ান কাপে রাতের দুটো ম্যাচই ছিলো সি গ্রুপের।বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটায় খলিফা লাতি স্টেডিয়ামে হংকংয়ের মুখোমুখি হয় আরব আমিরাত।৭০ বনাম ১৪৫ নম্বরের ম্যাচ।মাঠেও সেটি স্পষ্ট ছিলো।আরব আমিরাত একচেটিয়া প্রাধান্য বিস্তার করে খেলেছে পুরো ম্যাচ।ওদের আক্রমণ সামলাতে গিয়ে হংকং শক্তির প্রয়োগ করে খেললেও শেষ রক্ষা হয়নি।উল্টো তিনবার রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজায়। যাঁর একটি ভিআরএ বাতিল হলেও বাকি দুটো থেকে দুই গোল আদায় করে নেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত।
প্রথমার্ধের ৩৪ মিনিটে শাহি আলামিন পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে লীড এনে দেন।ঐ লীড নিয়ে বিরতিতে যায় দুইদল। বিরতির পর ৪৯ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে শাও চান গোল করে দলকে সমতায় ফেরালে গতি পায় ম্যাচ।৫২ মিনিটে জাবের শাহি জাসিমি দূরপাল্লার শটে গোল করে ২-১গোলে এগিয়ে নেন দলকে।খেলা শেষ হবার এক মিনিট আগে আবার পেনাল্টি পায় আমিরাত।ইয়াহিয়া আল ঘামামি গোল করে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আরব আমিরাত। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে এগারোটায় এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় ইরান ও ফিলিস্তিন।ম্যাচে খেলার চেয়ে আবেগ ছিলো অনেক বেশি।ইসরায়েলি আগ্রাসনে বিপর্যস্ত ফিলিস্তিনের ফুটবলাররা যে ম্যাচে নেমেছে এটাই যথেষ্ট ছিলো অনেকের কাছে।আর শক্তির বিচারেও লড়াইটি ২৩ নম্বরের বিপক্ষে ৯৪ নম্বরের। টোটালি ফেয়ার প্লেয়িং মোড বজায় থাকা ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই আনসারিফরাদের গোল।১-০ তে এগিয়ে ইরান।এরপর ১২ মিনিটে খালিজাদেহর গোলে ২-০,৩৮ মিনিটে গাইয়েদিহর লক্ষ্যভেদে ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় ইরান।প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ফিলিস্তিনের ফুটবলার তারিখ সেইয়ান গোল করলে পুরো গ্যালারী উল্লাসে ফেটে পড়ে।৩-১ স্কোরলাইন নিয়ে বিরতিতে যাওয়া দুই দল দ্বিতীয়ার্ধে একই আবহে খেললে গোল বাড়েনি।৫৫ মিনিটে আজমাইন ইরানের হয়ে চতুর্থ গোল করা ছাড়া।ইরানিরা কোন গোলেই সেলিব্রেট করেনি।শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইরান।
গ্রুপের চার দলই একটি করে ম্যাচ শেষে তিন পয়েন্ট করে অর্জন ইরান ও আরব আমিরাতের।গোল গড়ে ইরান শীর্ষে।অপর দুই দল হংকং ও ফিলিস্তিনের সংগ্রহ শূন্য পয়েন্ট

