সেডন পার্কে আজ দ্বিতীয় টি টোয়েন্টিতে টস জিতে কিউইদের আগে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন পাক অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি।সিরিজে সমতা ফিরিয়ে আনতে নিজে বল তুলে নিলেও শেষ পর্যন্ত আর জয়ের দেখা পাওয়া হলোনা তাঁদের। ব্যাটিংয়ে নেমে ফিল এলেন ও ডেভন কনওয়ে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন নিউজিল্যান্ডকে।৫.১ ওভারে ৫৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় তাঁরা কনওয়ের আউটের মাধ্যমে। কেন উইলিয়ামসন এসে ফিল এলেনের সাথে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৭৮ রানের জুটি গড়ে দলকে বড়ো সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নেন।দলীয় ১৩৭ রানে উইলিয়ামসন আউট হয়ে গেলে পরের দিকের ব্যাটসম্যানরা কেউ বড় ইনিংস না খেললেও কয়েকটি ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসের কল্যানে বিশ ওভারে আট উইকেটে ১৯৪ রান তুলতে সমর্থ হয় কিউইরা।ওপেনার ফিল এলেন দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেন।৪১ বলে সাতটি চার ও পাঁচটি ছয়ের সাহায্যে এই রান করেন তিনি।ম্যাচ শেষে যা ম্যাচের সর্বোচ্চ ইনিংস হয়ে যায়।হারিস রউফ ৩৬ রানে তিন উইকেট নেন।
১৯৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাকিস্তানের সূচনাটা হয় দুঃস্বপ্নের মতো।দলীয় ১০ রানেই দুই উইকেট খুইয়ে বসে তাঁরা।এরপর বাবর আযম ও ফখর জামান তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৮৭ রান তুলে দলকে ম্যাচে ফেরান।কিন্তু দলীয় ৯৭ রানে নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করার পরপরই ফখর জামান আউট হয়ে গেলে ম্যাচে আবার ফিরে আসে কিউইরা।উইকেটে তখনো বাবর আযম ছিলেন তাই পাকিস্তানও জয়ের আশাতেই ছিলো।কিন্তু অন্য কেউ তাঁকে সঙ্গ দিতে ব্যর্থ হলে বল ও রানের ব্যবধান বাড়তেই থাকে।ব্যক্তিগত ৬৬ রানে বাবর আযম আউট হয়ে গেলে পাকিস্তানের জয়ের আশাও শেষ হয়ে যায়।৪৩ বলে খেলা বাবর আযমের এটি সিরিজে টানা দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি ইনিংস।শেষ দিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি ১৩ বলে ২২ রানের ক্যামিও খেললেও তা কেবলই পরাজয়ের ব্যবধান কমাতে পারে।১৯.৩ ওভারে ১৭৮ রানে অলআউট হয়ে ২১ রানে পরাজিত হয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।কিউই বোলারদের মধ্যে এডাম মিলনে ৩৩ রানে ৪ উইকেট নেন।তাছাড়া সোধি,সাউদী ও স্ক্রীম সমান দুই উইকেট করে নেন। এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেলো স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড।ফিল এলেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান। সংক্ষিপ্ত স্কোর:-নিউজিল্যান্ড ১৯৪/৮(২০) ফিল এলেন ৭৪,কেন উইলিয়ামসন ২৬,হারিস রউফ ৩/৩৬। পাকিস্তান ১৭৮/১০(১৯.৩) বাবর আযম ৬৬,ফখর জামান ৫০,এডাম মিলনে ৪/৩৩। ফলাফল:- নিউজিল্যান্ড ২১ রানে জয়ী। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ:- ফিল এলেন।

