দূর্ভাগ্যের সাথে পেরে উঠলোনা ইতালি।উয়েফা নেশনস লীগের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ্জুরিরা হেরে গেলো ২-১ গোলে।পাঁচ দিন আগে ম্যানসিটিকে বহু আরাধ্য চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জেতানো রদ্রী এবার দেশের হয়ে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন।
পুরো ম্যাচে এতোটাই ভালো খেলেছেন গতরাতে,গোল না করেও ম্যাচের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার উঠেছে রদ্রীর হাতে।আর সন্দেহাতীত ভাবেই সে ছিলো স্পেনের প্রাণভোমরা। খেলা শুরুর তিন মিনিটের মাথায় রদ্রীর পাস থেকে ইয়েরেমি পিনো গোল করে স্পেনকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন।যদিও আট মিনিট পরেই নিজেদের বক্সে হ্যান্ডবল করে বসেন লে নরম্যান্ড।এই ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছে যাঁর।১১ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে ইতালিকে সমতায় ফেরান সিরো ইমমোবাইল।প্রথমার্ধের অন্তিম সময়ে ডেভিড প্রাটেন ইতালির হয়ে গোল করলেও ভিএআর জানায় সেটি অফসাইড ছিলো।অতি সূক্ষ্ম ব্যবধানের দূর্ভাগা অফসাইডে বাতিল হয়ে যায় সেই গোল।
১-১ সমতায় বিরতিতে যাওয়া দুই দলই বিরতির পর গোলের জন্য মরিয়া চেষ্টা করে।স্পেন তুলনামূলক বেশী আক্রমনাত্মক খেলছিলো।আর স্পেনের প্রায় সকল আ্যাটাকই রদ্রীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছিলো।কিন্তু কাঙ্খিত গোলটাই পাচ্ছিলোনা কোন দল।মনে হচ্ছিল প্রথম সেমিফাইনালের মতো এই ম্যাচও অতিরিক্ত সময়ে গড়াতে চলেছে।কিন্তু ম্যাচের ৮৮ মিনিটে রদ্রীর ভলি বাঁক নিয়ে জোসেলুর কাছে গিয়ে পড়ে।যেখান থেকে গোল করা ছাড়া কোন উপায় ছিলোনা জোসেলুর।আর শেষ সময়ের ঐ গোলেই স্বপ্ন ভেঙে যায় ইতালির।যোগ করা ইনজুরি টাইমে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও সমতায় ফেরা হয়নি তাঁদের।২-১ গোলে জিতে নেশনস লীগের ফাইনালে উঠে যায় স্পেন।আগে থেকেই তাঁদের জন্য অপেক্ষায় আছে ক্রোয়েশিয়া।

