ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে কম্বোডিয়া ১৭৬ নম্বর আর বাংলাদেশ ১৯২ নম্বর দল।আসন্ন সাফ টূর্নামেন্টের প্রস্তুতীর লক্ষ্যে কম্বোডিয়া যাওয়া বাংলাদেশ ফুটবল দলের।নিজেদের চেয়ে ভালো র্যাঙ্কিংয়ের দলের বিপক্ষে প্রতিপক্ষের মাঠে খেলার পরিকল্পনাটি ভালো নিঃসন্দেহে।প্রথমে স্থানীয় লীগের এক দলের সাথে গা গরমের ম্যাচে নূন্যতম ব্যবধানে জয় পেলেও আসল পরীক্ষা ছিলো গতকাল ।
ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের স্বীকৃতি পাওয়া ম্যাচে স্বাগতিক কম্বোডিয়ার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ গতকাল ১৫ ই জুন বৃহস্পতিবার।যেখানে প্রথমার্ধের ২৩ মিনিটের সময় প্রায় মাঝমাঠের ডানপ্রান্তের সাইড লাইন থেকে সোহেল রানা লম্বা ক্রস করেন কম্বোডিয়ার ডি বক্সের সামনে আনমার্কড থাকা জিকোর উদ্দেশ্যে।বল পেয়ে সামনে থাকা কম্বোডিয়ার গোলরক্ষকের বাম পাশ দিয়ে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি জিকো।১-০ তে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।শেষ পর্যন্ত সেই গোলেই জয়ী হয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। গোলের খেলা ফুটবল।আর গোল করে জয়ী হওয়া দলকেই মনে রাখে মানুষ এবং ইতিহাস।সেই দৃষ্টিতে দল সফল এটা বলতেই হবে।কিন্তু সাংবাদিক হিসেবে ম্যাচ রিপোর্ট লিখতে গেলে গতকালের খেলায় একচ্ছত্র আধিপত্য ছিলো কম্বোডিয়ার।বাংলাদেশের রক্ষনভাগ কম্বোডিয়ার মূহুর্মূহু আক্রমণ ঠেকিয়ে দিলেও আসলে দুই দল মিলিয়ে গতকালের খেলার হিরো যদি কাউকে বলতে হয়,নিঃসন্দেহে সে বাংলাদেশের গোলরক্ষক।
কমপক্ষে চারটি নিশ্চিত গোল সেভ করেছে সে অবিশ্বাস্য দক্ষতায়। তবে আন্তর্জাতিক ম্যাচে বহুদিন জয় পাওয়া হয়নি বাংলাদেশের।জিকোর গোলে সেই বৃত্ত থেকে দল বেড়িয়ে আসতে পেরেছে,দিনশেষে বড়ো প্রাপ্তী এটাই। এই জয় দলকে আত্মবিশ্বাস জোগাবে।আগামী ম্যাচে হারজিত যাই হোক,বাংলাদেশ দল ভালো ফুটবল খেলবে একথা বলাই যায়।

