টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচটিতে বিরাট কোহলির ‘ফেক ফিল্ডিং’ নিয়ে অভিযোগ তোলা হলেও পেনাল্টি দেয়া হয়নি। এটি নিয়ে আইসিসিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান তানভীর আহমেদ টিটু বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি নিজেদের মধ্যে। অভিযোগ করার সুযোগ আছে কিনা দেখছি। বর্তমান যে নিয়ম তাতে এই ব্যবস্থা এখন সম্ভবত নেই। তারপরও বিষয়টি আমরা দেখছি।
বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে বিরাট কোহলি ফেক থ্রো করেছিলেন। বল হাতে না নিয়েই থ্রো করার ভঙ্গি করেন। আম্পায়ার বিষয়টি খেয়াল না করায় পেনাল্টি হিসেবে বাড়তি ৫ রান পায়নি বাংলাদেশ। এটি নিয়ে ম্যাচ শেষে আক্ষেপ করেছেন নুরুল হাসান সোহান।
মিক্সড জোনে দাঁড়িয়ে উইকেটরক্ষক-ব্যাটার বলেন, মাঠ যে ভেজা, আপনারাও দেখেছেন বাইরে থেকে, আমরাও দেখেছি। ইভেনচুয়ালি আমার কাছে মনে হয় যে, যখন আমরা কথা বলি, একটা ফেক থ্রোও ছিল। যেটায় ৫ রান পেনাল্টি হয়তো হতে পারত। যেটা আমাদের দিকে আসতে পারত। দুর্ভাগ্যবশত সেটাও আসেনি।
উইকেটে থাকা ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত তাৎক্ষণিক অভিযোগ করেন আম্পায়ারের কাছে। আম্পায়ার সেটি আমলে নেননি। তিনি শান্তকে জানান, এরকম কিছু তাদের চোখে পড়েনি। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায় ভিডিও ক্লিপে দেখা গেছে ফেক থ্রো করা হয়েছে।
খেলা শুরুর কয়েক মিনিট আগেও ড্রেসিংরুমের সামনে দাঁড়িয়ে আম্পায়ারদের বারবার ঘাস থেকে পানি তুলে দেখাচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান। দেখে মনে হচ্ছিল খেলা শুরু হতে ঢের বাকি। তবে মাত্র ১৫ মিনিটের নোটিশে খেলা শুরু হয় অ্যাডিলেড ওভালে।
এটি নিয়ে অবশ্য সংবাদ সম্মেলনে আপত্তি তোলেননি সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশ অধিনায়ককে এক ভারতীয় সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন আম্পায়ারদের মানাতে চেষ্টা করেছিলেন কিনা। সাকিব অবাকই হয়েছেন। বলেছেন, ‘সেই ক্ষমতা কি আমাদের আছে!’
তাহলে কী কথা হচ্ছিল তাদের সঙ্গে? সাকিব বলেন, ‘দুই দলের অধিনায়ককে ডেকে কখন খেলা, কত ওভারে খেলা কার্টেল ওভার ম্যাচের সব বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন।’
ইউডি

