একটুখানি বৃষ্টি হলেই রাজধানী ঢাকাতে তৈরি হয় জলাবদ্ধতা। ডুবে যায় রাস্তাঘাট।ভোগান্তিতে পড়তে হয় নগরবাসীকে। এই জলাবদ্ধতা আর দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিয়ে নগরবাসীকে একটি আধুনিক শহর উপহার দিতে চান দুই মেয়র।
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (২৬ জুন) জলাবদ্ধতা নিরসনে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৫৫টি রেগুলেটর ও ড্রেনেজ আউটলেট দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, জলাবদ্ধতামুক্ত নগরী পেতে খালগুলো দখলমুক্ত করতে হব। খালে পয়ঃনিষ্কাশন লাইন বা দূষিত পানি ঢুকতে দেয়া যাবে হবে না।
তিনি বলেন, খালে একমাত্র পরিষ্কার পানি প্রবেশ করতে পারবে। কোনো ধরনের দূষিত পানি প্রবেশ করতে দেব না। ১ সেপ্টেম্বর থেকে কোনো বাড়ির দূষিত পানির সঙ্গে খালের যদি সরাসরি সংযোগ থাকে, তবে সেটি আমরা বিচ্ছিন্ন করে দেব।
একই অনুষ্ঠানে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, নদনদীর পানি বাড়লে ডুবতে পারে ঢাকা শহর। এজন্য প্রতিটি স্লুইসগেট মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।
মেয়র বলেন, ঢাকা শহরে বন্যা হওয়ার কিছুটা আশঙ্কা রয়েছে। চারপাশে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও এখনও বিপদসীমার নিচে রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা এরইমধ্যে স্লইসগেট মেরামতসহ যাবতীয় কার্যক্রম হাতে নিয়েছি।
এসময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকার যেসব সেতু পানির প্রবাহে বাধা দিচ্ছে সেগুলোকে ভেঙে ফেলা হবে। খালে ময়লা ফেলে যারা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
ইমা

