নরসিংদীর রায়পুরা এলাকায় শীলা আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২২ জুন) সকালে পৌরসভার পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্বজনদের অভিযোগ, তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখেন তার স্বামী ও স্বজনরা।
শীলা আক্তার পলাশতলী ইউনিয়নের উত্তর কুনাপাড়া গ্রামের শহিদ মিয়ার মেয়ে ও পৌরসভার পূর্ব পাড়া এলাকার রবিন মিয়ার স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে রফিক মিয়া ও তার স্বজনরা পলাতক রয়েছেন।
জানা যায়, আনুমানিক ১০ বছর আগে পারিবারিকভাবে রবির সঙ্গে শীলার বিয়ে হয়। বর্তমান তাদের সংসারে ৭ ও ৫ বছরের দুটো মেয়ে সন্তান আছে। নিহতের স্বামী প্রায়ই তাকে নানাবিধ নির্যাতন করেতো। গত কিছুদিন পূর্বে শীলা নির্যাতন সইতে না পেরে বাবার বাড়ি চলে যায়। পরে স্বামী স্বজনরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত শনিবার স্বামীর বাড়ি নিয়ে আসে।
বুধবার সকালে স্থানীয়রা ঘরে উড়নায় ঝুলন্ত মরদেহটি দেখতে পেয়ে তার স্বজনদের খবর দেয়। পরে স্বজনরা থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করেন।
রায়পুরা থানার উপ-পরিদর্শক মো. রাকিবুল ইসলাম রকিব জানান, খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ওই নারীর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। ময়নাতদন্তের পর তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

