নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর এ জেড এম জালাল উদ্দিন বলেছেন, সরকারি পলিসি সুবিধা, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এবং নৌ বাণিজ্য দপ্তরের নিরলস সেবার কারণে সমুদ্রগামী জাহাজে বাংলাদেশের পতাকা বাড়ছে। গত আড়াই বছরে বাংলাদেশী পতাকাবাহী জাহাজ দ্বিগুণ হয়েছে। এর পেছনে নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এবং নৌ বাণিজ্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস ভূমিকা রয়েছে। বিদেশী অনেক জাহাজে বাংলাদেশী বিনিয়োগ রয়েছে। এসবের অনেক জাহাজ অন্য দেশে রেজিস্ট্রেশনকৃত। তারা বিদেশী পতাকা নিয়ে চলাচল করে। এখন নৌ-বাণিজ্য দপ্তরের অধিকতর উন্নত সেবা নিশ্চিত করার কারণে এসব বিদেশী জাহাজ বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন করছে। বাংলাদেশী পতাকা ব্যবহার করছে। এতে সরকারে রাজস্ব আয় ও বৈদেশিক মুদ্রা আয় দুটোই বাড়ছে। দেশি মেরিনারদের চাকুরি সুযোগও বাড়ছে এ সেক্টরে।
২১ জুন মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ সিজিএ বিল্ডিংয়ে নৌ-বাণিজ্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে তিনি সাংবাদিকদের একথা জানান।
বার্ষিক কর্মসম্পাদক চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন, সরকারি রাজস্ব আদায়ে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সরকারি সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার নিশ্চিতে নৌ-বাণিজ্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাগাদা দেন তিনি।
এসময় নৌ-বাণিজ্য দপ্তরেরর প্রিন্সিপাল অফিসার ক্যাপ্টেন গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, নটিক্যাল সার্ভেয়র ক্যাপ্টেন শেখ জালাল উদ্দিন গাজী, ইঞ্জিনিয়ার শিপ সার্ভেয়র মো. রফিকুল আলমসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মহাপরিচালক বলেন, আমাদের ১৩ হাজার নিবন্ধিত নৌযান রয়েছে। এর চেয়ে কয়েকগুণ নৌযান আছে, যেগুলোর নিবন্ধন নেই। এখন সরকার সব নৌযানকে নিবন্ধনের আওতায় আনার একটি প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছেন। সাগরে নৌযান শুমারীর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরিসংখ্যার ব্যুরের সাথে এ নিয়ে চুক্তিও হয়েছে। এখন সারাদেশে জনশুমারী চলছে। জনশুমারী শেষ হলেই জাহাজ শুমারী শুরু হবে। তখন সবগুলো জাহাজকে একটি ডাটাবেজের আওতায় আনা সম্ভব হবে। এর আগে নৌ-বাণিজ্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করেন নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর এ জেড এম জালাল উদ্দিন।
পরে ইউএস কোস্টগার্ডের একটি প্রতিনিধিদলের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

