টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের আকবর শাহ এলাকায় পাহাড়ধসে চারজনের মৃত্যু ও ১১ জন আহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয়ের জন্য আগ্রাবাদ, বাকলিয়া, কাট্টলী ও চান্দগাঁও চারটি সার্কেলে ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে জেলা প্রশাসন।
শনিবার (১৮ জুন) পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বসবাসকারীদের এসব আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।
আশ্রয়কেন্দ্রগুলো হচ্ছে, আকবর শাহ ও পাহাড়তলী এলাকার জন্য পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। কৈবল্যধাম লেকসিটি, ফয়েজ লেক এলাকার এক নম্বর ঝিল ও দুই নম্বর ঝিল এলাকার জন্য কৈবল্যধাম বিশ্বকলোনী কোয়াড পি-ব্লক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফিরোজ শাহ হাউজিং এস্টেটের ফিরোজ শাহ কলোনী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
মধু পাহাড়, পলিটেকনিক কলেজ সংলগ্ন পাহাড়ের জন্য বায়তুল ফালাহ আদর্শ মাদরাসা, জালালাবাদ হাউজিং সংলগ্ন পাহাড়ের জন্য চট্টগ্রাম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য জালালাবাদ বাজার সংলগ্ন শেড। বায়েজিদ থানার মিয়ার পাহাড় মিল সংলগ্ন এলাকার জন্য রউফাবাদ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। রশিদিয়া রউফাবাদ আলিম মাদরাসা, মহানগর পাবলিক স্কুল, আল হেরা মাদরাসা।
বায়েজিদ থানার টাংকির পাহাড় এবং আমিন জুল মিল সংলগ্ন এলাকার জন্য আমিন জুট মিল ওয়ার্কাস ক্লাব ও আমিন জুট মিলস নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বাটালী হিল সংলগ্ন এলাকার জন্য লালখান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং এবাদ উল্লাহ পণ্ডিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
মতিঝর্ণা এলাকার জন্য শহীদ নগর সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলিম উল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। লালখান বাজার সংলগ্ন এলাকার জন্য ওয়াইডব্লিউসিএ। বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটি ও এম আর সিদ্দিকী সংলগ্ন এলাকার জন্য শেখ রাসেল প্রাথমিক বিদ্যালয়। একে খান পাহাড় সংলগ্ন এলাকার জন্য মতিঝর্ণা ইউসেফ স্কুল।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোমিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, পাহাড়ধস প্রবণ এলাকাগুলোতে বসবাসকারীদের জন্য ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এখানে বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হচ্ছে।
ঝুঁকিপ্রবণ এলাকার বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিসি বলেন, একটু কষ্ট হলেও নিজেদের নিরাপত্তার জন্য হলেও আগামী দু-তিন দিন এসব আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করুণ।
জেবি

