দুদিনের টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর নিন্মাঞ্চাল পানির নিচে ডুবে গেছে। নগরীর জিইসি মোড়, ২ নম্বর ষোলশহর, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট মোড়, বাদুরতলা, বড়গ্যারেজ, কাপাসগোলা, চকবাজার, ডিসি রোড, আমান আলী রোডসহ বৃহত্তর বাকলিয়া, চান্দগাঁওয়ের পাঠানিয়াগোদা, খাজারোড, ৩ নম্বর পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের হাজিরপুল, অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়ক, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল, সিডিএ আবাসিক, কমার্স কলেজ এলাকা, শান্তিবাগসহ নগরীর উল্লেখযোগ্য এলাকায় পানি থৈ থৈ করছিল সকাল পর্যন্ত। পানি থেকে বাঁচতে রাস্তা উচুঁ করেও রক্ষা করতে পারলো না সিটি মেয়রের নিজের বাড়িটিও। হাঁটুর ওপর পানিতে থৈ থৈ করছিল বহদ্দার হাট মেয়রের বাড়ির আঙ্গিনা। চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ এই বৃষ্টিতে কার্যত পুরো চট্টগ্রাম নগর অচল হয়ে গেছে।
এদিকে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ১৯৭ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। গভীর রাতে ভারী বর্ষণে পাহাড় ধ্বসে বেলা ১১টা পর্যন্ত ৪ জন প্রাণ হারান। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১১ জন।
জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মেয়রের এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, গত বছর বৃষ্টিতে মেয়রের বাড়ির উঠানে হাঁটুর ওপর সমান পানি উঠে গিয়েছিল। এরপর মেয়রের বাড়ির সামনের সড়ক উঁচু করা হয়েছে। কিন্তু এরপরও পানি থেকে রক্ষা মিলল না।
গতকাল শুক্রবার থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত নগরীর প্রধান সড়কের বহদ্দারহাট থেকে জিইসি পর্যন্ত পানিতে অচল হওয়ায় ভোগান্তিটা বেশি চোখে পড়েছে।
এদিকে সিডিএ কর্তৃক গৃহীত জলাবদ্ধতা প্রকল্পের কাজ কয়েকদফা মেয়াদ বাড়িয়ে চলমান রয়েছে। এখনো উল্লেখযোগ্য সুফল পাচ্ছেন না নগরবাসী।

