পটিয়াস্থ ছনহরা গ্রামে নান্দনিক শিল্পকলা একাডেমির ১যুগ পূর্তি উদযাপন গত ২৩ মার্চ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে নান্দনিকের সভাপতি সুজিত ভট্টাচার্য দোলনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সুচনা করেন করেন- ছনহরা ষোড়শী বালা উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুকৃতি দে।
শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও চিত্র প্রদর্শনী, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, নান্দনিকের চড়ুঁইভাতি, অনন্য কথামালায় অংশ নেন- প্রবীণ আইনজীবী রনজিত কুমার মিত্র,অধ্যাপক সুধীর দাশ, রতন বিশ্বাস, অবসর প্রাপ্ত সমবায় কর্মকর্তা দিলীপ সিংহ, সুব্রত কানুনগো,রাখাল বিশ্বাস, উজ্জ্বল দত্ত, টিপু শীল, সোনালী দত্ত, নৃত্য প্রশিক্ষক অভিরূপা বড়ুয়া, ইউ পি সদস্য ইকবাল সিকদার, প্রশিক্ষক সুজয় শীল, সুমন দেব, অর্চনা ভট্টাচার্য প্রমূখ। নব গঠিত নান্দনিক শিল্পকলা একাডেমির পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক পর্বে অতিথিবৃন্দ পুষ্পিত অভিনন্দনে বরণ করে নেন। নব পর্ষদের পরিচালক – রতন কুমার বিশ্বাস,সভাপতি – সুজিত ভট্টাচার্য দোলন, সিনিয়র সহ- সভাপতি – সুব্রত কানুনগো, সহ সভাপতি – অসীম দাশ, অনজন ভট্টাচার্য, রূপক মিত্র,সঞ্জীব চক্রবর্তী টিংকু , সাধারণ সম্পাদক – উত্তম দাশ, যুগ্ম সম্পাদক – ম্যাক্সিম গোর্কি শীল ও উজ্জ্বল দত্ত, অর্থ সম্পাদক – টিপলু বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক সম্পাদক – সীমা দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে যুগ্মভাবে অনিক বিশ্বাস, তুলি দত্ত সহ ২১ সদস্য বিশিষ্ট ত্রিবর্ষীয় কমিটির অভিষেক পর্ব সম্পন্ন করা হয়।

সভাপতি সুজিত ভট্টাচার্য দোলন তাঁর বক্তব্যে বর্তমানের প্রেক্ষাপটে সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্ব আরোপ করে বলেন- “জোঁয়ার বিহীন নদী যেমন মৃত তেমন শুদ্ধ সংস্কৃতি বিহীন মানুষও অর্ধমৃত। নৈতিক অবক্ষয়ের যুগে অপশক্তি রোধে নতুন প্রজন্মের সুস্থ মানসিকতা বিকাশে একমাত্র বাঙালি সাংস্কৃতিই অনুপ্রেরণা যোগাতে পারে। তাই সামাজিক সৌহার্দ, পারস্পরিক সহবস্থান ও সম্প্রতির বন্ধন দৃঢ় করতে আমাদের প্রতিষ্ঠানের নিরন্তর প্রয়াস”।
সন্ধ্যায় ছনহরা নান্দনিক শিল্পকলা একাডেমীর শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষে বিজয়ী প্রতিযোগীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠক সুব্রত কানুনগো ও উজ্জ্বল দত্ত।

