চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিংক রোডের বায়েজিদ থানাধীন মাঝের ঘোনা এলাকা থেকে পাহাড় কাটার সময় তিনজনকে হাতেনাতে আটক করেছে পরিবেশ অধিদফতর।
৯ জুন বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টার দিকে পুলিশের সহযোগিতায় ওই তিন ব্যক্তিকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসাইন।
আটককৃতরা হলো চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানাধীন দক্ষিণ পুঁইছড়ি আবদুর রহমান ফকির বাড়ির মৃত কবির আহম্মদের ছেলে মো. সারোয়ার আলম (৪৮), গাইবান্ধা জেলার শাঘাটা থানাধীন রেলওয়ে কলোনির মৃত নছিমুদ্দিন সরকারের ছেলে মো. নুরুল আমিন (৭০) এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার গুইমাড়া থানাধীন হাফছড়ি ইউনিয়নের চেংগুলি পাড়া গ্রামের মৃত কংলাশে মার্মার ছেলে অংশি মার্মা (২৭)।
তারা মাঝের ঘোনা এলাকায় সরকারি খাস জমি কেটে বসত তৈরি করে বিক্রি কিংবা দখল করছেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল মতিন বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় আটক তিনজন বাদেও আরও ৫ জনকে আসামী করা হয়।
মামলায় অন্য আসামীরা হলেন, শাহজাহান বাদশা ওরফে লাল বাদশা (৪৫), মো. আরিফ (৩২), মো. আজিজুল হক (৩০), জ্ঞান জ্যোতি ভিক্ষু (২৯). মো. বেলাল উদ্দিন মিজান (৩৯)। মামলায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) আইনের ৬(খ) ধারায় অভিযোগ করা হয়। পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল মতিন জানান, আটককৃতরা সহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাঝের ঘোষনা এলাকার সরকারি খাস পাহাড় দখল করে, পাহাড় কেটে বসতি নির্মাণ করে আসছে। আবার পাহাড় কেটে বেচাকেনাও চলছিল।
বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে পাহাড় কাটার সময় তিনজনকে হাতেনাতে ধরে পুলিশকে সোপর্দ করা হয়। পরে ৮জনকে এজাহারনামী করে পরিবেশ আইনে বায়েজিদ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বায়েজিদ থানার ওসি কামরুজ্জামান বলেন, মাঝের ঘোনা এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে বসতি নির্মাণের সময় তিন ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদফতর থেকে একটি মামলা দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের শুক্রবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে

