শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

৯ বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে বিএনপির ইশতেহার তুলে ধরছেন তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
- Advertisement -
Single page 1st Paragraph

রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দর্শন হিসেবে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে একটি ইনসাফ–ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে দলটি সুদৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন্ন নির্বাচনে তারেক রহমান দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং এটিই তার প্রথম ইশতেহার। বেলা সাড়ে ৩টায় কোরআন তেলোয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের পরিচালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুম্মন, শায়রুল কবির খান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চীন, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতসহ ৩৮টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। শফিক রেহমান, মতিউর রহমান, মতিউর রহমান চৌধুরীসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ইশতেহারে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ’ প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বিএনপি। এই ইশতেহারের শ্লোগান হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আগামী দিনে ক্ষমতায় গেলে ইশতেহারে ৯টি প্রতিশ্রুতি অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে বিএনপি। ইশতেহারকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এতে মোট ৫১টি দফাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।

যে ৯ বিষয়ে অগ্রাধিকার :

১. প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করে প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অর্থ সেবার এই পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করা হবে।

২. কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’–এর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বীমা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে। মৎস্যচাষী, পশুপালনকারী খামারি ও কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই সুবিধা পাবেন।

৩. দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

৪. আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাস্তব দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন, প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব, শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সহায়তা এবং ‘মিড–ডে মিল’ চালু করা হবে।

৫. তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই–কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্তকরণ এবং মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

৬. ক্রীড়াকে পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে।

৭. পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল খনন ও পুনঃখনন, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে।

৮. ধর্মীয় ও সামাজিক সমপ্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।

৯. ডিজিটাল অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম (পেপাল) চালু, ই–কমার্সের আঞ্চলিক হাব স্থাপন এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণ করা হবে।

ইশতেহারে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিস্তৃত সংস্কার ও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, প্রবাসী কার্ড চালু, জনগণের কল্যাণে বহুমুখী সহায়তা কর্মসূচি, যুবকদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং জাতি গঠনে ‘ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন কমিশন’ গঠনসহ দেশের কাঠামো ও পরিবেশের উন্নয়নে নানা পরিকল্পনা।

ইশতেহারে আওয়ামী লীগের শাসনামলে পুঁজিবাজারে সংঘটিত অনিয়ম ও কেলেঙ্কারির তদন্ত, খতিব–ইমাম–মুয়াজ্জিনদের মাসিক সম্মানী প্রদানসহ বিভিন্ন জনমুখী ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় না দেওয়া, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। নারী ও তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’–এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইশতেহারের বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বিএনপি জানায়, দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, প্রয়াত চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ভিশন–২০৩০, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা এবং জুলাই জাতীয় সনদের সমন্বয়েই এই নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে।

ইশতেহারে বলা হয়, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতাকে সমুন্নত রেখে ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই বিএনপির মূল লক্ষ্য। মহান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে একটি ইনসাফ–ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে দলটি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দর্শন হিসেবে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে।

নির্বাচন ব্যবস্থা ও সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বিএনপি বলেছে, ভোটকে রাষ্ট্রক্ষমতায় একমাত্র বৈধ উৎস হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে। নির্বাচন ব্যবস্থা ও সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে একটি টেকসই গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে। ফ্যাসিবাদ ও বিদেশি তাঁবেদারিত্বের কোনো পুনরাবৃত্তি আর হতে দেওয়া হবে না। সমাজের সব স্তরে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করে সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে একটি প্রকৃত জনকল্যাণমূলক সরকার গঠন করা হবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংরক্ষণ ও বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিবিড় জরিপের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের নির্ভুল তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা ও এর স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে। মুক্তিযোদ্ধা উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়া হবে।

এছাড়া, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে শহীদদের নিজ নিজ এলাকায় তাদের নামে সরকারি স্থাপনার নামকরণ করা হবে। আন্দোলনে যারা পঙ্গু হয়েছেন বা চোখ হারিয়েছেন, তাদের স্বীকৃতি, উন্নত চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানে সহায়তা দেওয়া হবে। শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সার্বিক সহায়তা নিশ্চিত করা হবে এবং তাদের কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি পৃথক বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

সুশাসন ও উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে রাষ্ট্রের সর্বস্তরে আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা বলেছে বিএনপি। দলটি বলেছে, দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়া দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে পদ্ধতিগত ও আইন সংস্কারের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। উন্মুক্ত দরপত্র ব্যবস্থা, রিয়েল টাইম অডিট, সরকারি ব্যয় ও প্রকল্পের ‘পারফরম্যান্স অডিট’ এবং ‘সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স’ বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থপাচার রোধ ও ফ্যাসিবাদী আমলে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রাণকেন্দ্র উল্লেখ করে বিএনপির ইশতেহারে বলা হয়, স্থানীয় সমস্যা স্থানীয় পর্যায়েই সমাধানের নীতি অনুসরণ করে শক্তিশালী ও কার্যকর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। যেখানে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহিতা বাড়ানো হবে, পর্যাপ্ত অর্থায়নের মাধ্যমে জনগণের হাতে প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত করা হবে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে অন্তত একবার উন্মুক্ত জনসভার আয়োজন করা হবে। বিলবোর্ডসহ উন্মুক্ত মাধ্যমে স্থানীয় সেবা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে স্বচ্ছতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

ইশতেহারে ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের বার্ধক্যের দুর্দশা লাঘবের জন্য কার্যকর পেনশন ফান্ড গঠন, দারিদ্র্যপীড়িত ও পিছিয়ে থাকা অঞ্চলে টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জাতীয় নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ, পিতা–মাতার ভরণপোষণ আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হতদরিদ্র ও এতিম শিশুদের কল্যাণে একটি বিশেষ তহবিল গঠনের কথাও বলা হয়েছে।

এই বিভাগের সব খবর

ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর আজ

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) শুরু হতে যাচ্ছে জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর। দেশের বিভিন্ন এলাকার ১২০ জন বলী নামবেন এবারের প্রতিযোগিতায়।...

প্রধানমন্ত্রীর ‘রংধনু জাতি’ গঠন প্রত্যয়ের বাস্তব প্রতিফলন হাটহাজারী : মীর হেলাল

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন এবং আমাদের নেতা তারেক...

সংখ্যালঘু-সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, দেশের সবার অধিকার সমান: আমির খসরু

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমি অসাম্প্রদায়িক কথাটা বিশ্বাস করি না। বাংলাদেশের সংবিধানে প্রত্যেকটি নাগরিকের অধিকার সমান-কারো বেশি নয়, কারো...

সর্বশেষ

ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর আজ

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) শুরু...

প্রধানমন্ত্রীর ‘রংধনু জাতি’ গঠন প্রত্যয়ের বাস্তব প্রতিফলন হাটহাজারী : মীর হেলাল

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর...

সংখ্যালঘু-সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়, দেশের সবার অধিকার সমান: আমির খসরু

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন,...

চাকমা তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪

চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানা এলাকায় এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের...

চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ...

কোতোয়ালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৩

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে...