চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে কর্ণেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহার সমর্থকরা চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাহার সমর্থকরা ফটিকছড়ি সদর বিবিরহাট ও নাজিরহাট ঝংকার মোড়ে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে মিছিল ও স্লোগান দেয়। এতে মহাসড়কের দুই প্রান্তে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,উপজেলা সদর বিবিরহাট দুই নম্বর দলীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে ও নাজিরহাট ঝংকার মোড়ে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে কর্মী-সমর্থকরা সড়কে বসে ও দাঁড়িয়ে অবস্থান নেন। সড়কে আটকা পড়ে অ্যাম্বুলেন্স, যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ির যাত্রীরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। অনেকে গাড়ি ছেড়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কর্ণেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহার ফটিকছড়ি বিএনপির ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। চট্টগ্রাম-২ আসনে তাকে মনোনয়ন না দিয়ে অন্য কাউকে দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নিতে পারছেন না। এ বিষয়ে কর্ণেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহার বলেন, বিক্ষোভ সম্পর্কে তার জানা নেই। এটি নেতাকর্মীদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ।
চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত সরওয়ার আলমগীর বলেন, ফটিকছড়িতে অনেক যোগ্য প্রার্থী আছেন। আমরা তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটিই মানব। ফটিকছড়ির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা সবাই ওয়াদাবদ্ধ ছিলেন। ফটিকছড়িতে বিএনপি নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছেন। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতেই পারে। এর আগে দুই গ্রুপ ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে পৃথক সমাবেশের আয়োজন করে। উল্লেখ্য আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফটিকছড়ি আসনে বি এন পির পাঁচ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়ন প্রদান করেন বি এন পি নেত আলহাজ্ব সরওয়ার আলমগীরকে। মনোনয়ন পাওয়ার পর কর্ণেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহারের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাতে আলহাজ্ব সরওয়ার আলমগীর কোলাকুলির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে প্রশংসায় ভাসে দুই নেতা। বিক্ষোভের ঘটনায় সৃষ্টি হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া।