অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিম আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতেও জামিন পেলনা। আগামী ১ আগস্ট আবেদনটির জামিন শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে সময় নির্ধারণ করেছেন আদালত।
সোমবার (৬ জুন) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালত এ আদেশ দেন। জামিন আবেদনের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সাঈদ আহমেদ রাজা।
এর আগে ২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল তাকে দুই ধারায় ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।
২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন হাজী সেলিম। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক রায়ে তার সাজা বাতিল করেন।
পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক। ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনরায় হাইকোর্টে শুনানির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।
এরপর গত ৯ মার্চ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে বিচারিক আদালতের দেওয়া ১০ বছর কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন হাইকোর্ট। তবে একই মামলায় তথ্য গোপনের অভিযোগে তিন বছরের দণ্ড থেকে খালাস পান তিনি। রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
গত ২২ মে নিয়ম অনুসারে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন আওয়ামী লীগের এই সংসদ সদস্য। সেদিন জামিন আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শারীরিক নানা জটিলতা থাকায় গত ২৩ মে হাজী সেলিমকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়।

