অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক বলেছেন, আমরা শহীদ ওমরকে আর ফিরে পাবো না তবে সে দেশের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করেছে ইতিহাসের পাতায় তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তাঁর অবদান জাতি কোনদিন ভুলবে না। আমি এমন কিছু করে যাবো যাতে সে অমর হয়ে থাকে। তাঁর আত্মত্যাগের বিনিময়ে নতুন একটি দেশ পেয়েছি। আমি যাতে তাঁকে মূল্যায়ন করতে পারি এবং দেশকে যেন সমৃদ্ধশালী করতে পারি তার জন্য সবাই আমাকে দোয়া করবেন।
গতকাল রবিবার বিকেলে বোয়ালখালী উপজেলার আকুবদন্ডী নুরুল হকের দোকান সংলগ্ন হাজী দেলোয়ার হোসেন সওদাগরের বাড়িতে শহীদ ওমরের কবর জেয়ারতের পর এসব কথা বলেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.জাহেদুল হক,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রী খীসা,সহকারি কমিশনার (ভূমি) নুসরাত ফাতেমা চৌধুরী,মেজর মো. শওকত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম,বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.আছহাব উদ্দীন,বোয়ালখালী উপজেলার নায়েবে আমির ডাঃ আবু নাছের, সাধারণ সম্পাদক ইমাম উদ্দিন ইয়াছিন, পৌরসভার জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম খসরু,মো. সাইদুল আলম, পোপাদিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস.এম সাইফুল ইসলাম,সহ-সভাপতি মো. ইউসুফ রেজা,সাধারণ সম্পাদক মো.নাজিম উদ্দিন,মো.আলমগীর, আবু সিদ্দিক বাবুল (কোম্পানী),বোয়ালখালী উপজেলার ছাত্র শিবিরের সভাপতি ওয়াহেদুর রহমান অয়ন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি, জোবাইরুল ইসলাম,মো.সাইয়িদ, শাকিল সহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ৫ আগস্ট ঢাকার উত্তরায় বিকেল চারটার দিকে পুলিশের গুলিতে ওমর নিহত হয়। পরে ঢাকা থেকে বোয়ালখালী নিজ গ্রামে এনে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
