আইনজীবীদের যুক্তি ও সার্বিক ঘটনার বিবরণে মাননীয় আদালতের নিকট এটা স্পস্ট প্রতীয়মান হয়েছে যে,শিক্ষক হৃদয় মন্ডল কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার। শুনানি শেষে মাননীয় আদালত পাঁচ হাজার টাকা বন্ডে হৃদয় চন্দ্র মন্ডলের জামিন মঞ্জুর করেন।১০ ই এপ্রিল(রোববা) দুপুর একটার কিছু পরে মাননীয় জেলা জজ এজলাসে আসেন।
আগে থেকেই উপস্থিত এডভোকেট শাহিন মোহাম্মদ সহ জেলা বারের বিপুলসংখ্যক আইনজীবী আদালতের নিকট অকাট্য যুক্তি তুলে ধরে প্রমাণ করে দেন যে,হৃদয় মন্ডল কিছু স্বার্থান্বেষী, ঈর্ষাপরায়ন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের সুযোগ সন্ধানী মহলের পরিকল্পিত শিকার।

সাপ্তাহিক স্লোগান এর এই প্রতিবেদক ১১ ই এপ্রিল সংখ্যায় প্রকাশের জন্য দুই দিন সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে যা কিছু উল্লেখ করেছেন, আজ আদালতে জামিন শুনানিতে আইনজীবীগণও সেগুলোই উল্লেখ করে মহামান্য আদালতের নিকট প্রমান করেছেন হৃদয় চন্দ্র মন্ডল ধর্মের অবমাননা করেননি। তবে মানবাধিকার সংস্থা ব্লাষ্টের উদ্যোগে প্রেরিত হাইকোর্টের ব্যারিষ্টার আহমদুল হক শুনানিতে অংশ নিয়ে বিশেষ আরেকটি কারণ উল্লেখ করেছেন যা এড়িয়ে যাবার মতো নয়।
https://slogannews.com/5329/
তিনি বলেন, স্কুলের পরিচালনা কমিটিরও ইন্ধন রয়েছে এই ঘটনার পেছনে।হৃদয় চন্দ্র মন্ডলের মতো নামী একজন শিক্ষককে সরিয়ে দেওয়া গেলে সেই শূন্যপদে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে ১৫/২০ লাখ টাকা সহজেই পকেটে পুরতে পারবেন তাঁরা।নইলে এই ঘটনা এতোদূর গড়ানোর প্রশ্নই ওঠেনা।ওনার বক্তব্য শেষ হতেই মহামান্য আদালত পাঁচ হাজার টাকা বন্ডে জামিনের আদেশ প্রদান করেন। এ বিষয়ে বিশদ জানতে চোখ রাখুন ১১ ই এপ্রিল প্রকাশিত সাপ্তাহিক স্লোগান এর সংখ্যায়।প্রতিবেদনটি আজ অলাইন স্লোগান এ পোষ্ট দেয়া হয়েছে।

