পহেলা এপ্রিল শুক্রবার সকাল ৮টায় বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় বহুল আকাঙ্খিত আব্দুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষ ও আব্দুল্লাপুর উচ্চ বিদ্যালয়েরযুগপূর্তি পুনর্মিলনী উৎসব।
সকাল ১০টায় শুরুহয় স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান।জুমার নামাজের বিরতির পর বিকাল চারটায় শুরু হয় আলোচনা সভা।পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উদযাপন পরিষদের আহবায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান অহিদুল আলমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নচট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম. এ. সালাম বলেন সুনাগরিক তৈরীর জন্য সুশিক্ষার বিকল্প নাই, যে শিক্ষার সঙ্গে নৈতিকতা দেশপ্রেম ও মানুষের কল্যাণ রয়েছে, তাহাই সুশিক্ষা। বর্তমান সময়ে এর প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশী।
উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী তাপস বডুয়া ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাবু সমর বিজয় বড়ুয়া। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ.এম আবু তৈয়ব, ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মুহুরী, জেলা পরিষদ সদস্য আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ, আবদুল্লাপুর সমিতির সভাপতি আবু সৈয়দ সেলিম প্রমুখ।জীবনের মধ্য বয়সে এসেও অনেকে ভুলতে পারেননি শৈশবের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিময় দিনগুলির কথা।বহুদিন পর স্কুলে ফেরায় আব্দুল্লাহ পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের এ পাশ-ওপাশে এভাবেই প্রাক্তনদের কণ্ঠ থেকে ভেসে আসছিল অজস্র আবেগি সংলাপ।
কর্মসূচির দুই পর্বে সভাপতিত্ব করেন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উদযাপন পরিষদের আহবায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান অহিদুল আলম।সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মোঃ সেলিম ও প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন চৌধুরী জনপ্রিয় বডুয়া। রাত ৯টায় শুরুহ য়কবিতা আবৃত্তি ও স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানএবংরাত ১১টায় দেশবরেণ্য শিল্পীদের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পুনর্মিলনী উৎসব শেষ হয়।

