নারায়ণগঞ্জ জেলার সর্বত্র কমবেশি গ্যাস সংকট অনেক আগে থেকেই।কিন্তু গত দুই মাসের লাগাতার সংকটে রীতিমতো বিপর্যস্ত জনজীবন।গত বছর খানেক ধরে রাত এগারোটার পর থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত গ্যাস পাওয়া গেছে।কষ্ট হলেও গৃহিণীগণ মাঝরাতে উঠে পরদিনের রান্না করে রাখতেন।এটা নিয়মে পরিণত হয়ে গিয়েছিলো,শহর ও আশেপাশের এলাকায় মধ্যরাত থেকে বাড়ী বাড়ীর রান্নাঘর থেকে ব্যস্ত ও কোলাহল মূখরতার শব্দ ভেসে আসতো।কিন্তু গত দুই মাস ধরে সেই ধারায়ও ছেদ পড়েছে। এখন দিন রাত একই অবস্থা বিরাজমান নারায়ণগঞ্জের বিশেষ করে সদর,ফতুল্লা ও বন্দর থানাধীন বিস্তির্ন এলাকা জুড়ে।শহরের সব মহল্লা,বাবুরাইল,দেওভোগ, মাসদাইর, কাশীপুর,নিতাইগন্জ,পাইকপাড়া,তামাকপট্টি, সৈয়দপুর, ভোলাইল,পঞ্চবটী, ফতুল্লা, পাগলা,বন্দর সহ তিন থানাধীন এমন একটি এলাকা নেই যেখানে গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ আছে।গত তিনদিন এই প্রতিবেদক উপরোক্ত তিন থানা এলাকায় ঘুরে একই চিত্র প্রত্যক্ষ করেছেন। পাইকপাড়ার গৃহবধূ শায়লা আক্তার জানান,একদিকে জিনিসজপত্রের চড়া দাম, তারউপর গ্যাসের সংকট, আমাদের এখন না খেয়ে মরার অবস্থা হয়েছে।আল আমিন নগরের গৃহবধূ কেয়া ইসলাম বলেন, আগে মাঝরাতে উঠে পরের দিনের জন্য রান্না করে রাখতে পারতাম।ঐ সময় গ্যাস পাওয়া গেছে।কিন্তু গত দুই মাস ধরে দিন রাত এক আঙ্গুল পরিমাণে গ্যাস থাকে।যা দিয়ে এক কাপ পানি গরম হতে তিনঘণ্টা সময় লাগে। এ বিষয়ে জানতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও সাংবাদিক পরিচয় শুনে কেউ কথা বলতে চাননি।তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা জানান,শুক্রবার ১লা এপ্রিল ও শনিবার দুপুর পর্যন্ত গ্যাস লাইনে সংস্কার কাজ চলবে।আশাকরি তারপর থেকে সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।তাঁর কথার সত্যতা পাওয়া যায় আজ।আজ সারাদিন উক্ত তিন থানাধীন সকল এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিলো।স্থানীয় মানুষ অধির আগ্রহে গ্যাসের স্বাভাবিক প্রবাহের অপেক্ষায় দিন গুনছেন।
j

