দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম আজ শনিবার কালুরঘাট থেকে কধুরখীল ইউনিয়ন, পাপিত্তার ঘাটা, মিলন মন্দির, লালার দিঘীর পাড় গণসংযোগ করেন।
এরপর তিনি বেঙ্গুরায় মতবিনিময় সভা ও বোয়ালখালী যুবলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন।
কেটলি প্রতীকের প্রার্থী আবদুচ ছালামের সমর্থনে বোয়ালখালী উপজেলায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নিতে অনেকেই এসেছে, অতীতেও অনেকেই এসেছিল। কিন্তু, প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন তেমন একটা হয়নি। আবদুচ ছালাম কেটলি মার্কায় ভোট চেয়েছেন, আগামী ৫ বছরের জন্য আমাদের এলাকার উন্নয়নের দায়িত্ব নিতে চাইছেন। আমরা তার মাধ্যমে চট্টগ্রামে অনেক উন্নয়ন বাস্তবায়নের দৃশ্য দেখেছি, যা ছিল স্বপ্নেরও অতীত। তাই আবদুচ ছালামের উপরই আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে চাই।
আমরা আর কোন ভুল লোকের ভুল অঙ্গীকার কিংবা অন্য কোন প্রলোভনের ফাঁদে পা রাখতে চাইনা। উন্নয়নে চট্টগ্রামবাসীকে চমকে দিয়ে ইতিমধ্যেই তাঁর সদিচ্ছা, পরিশ্রম, মেধা, সততা ও যোগ্যতার প্রমাণ রেখেছেন; সেই চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাকেই বেছে নিয়েছি। আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে বোয়ালখালীর মানুষ জোট বেঁধে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে কেটলী মার্কায় ভোট দিয়ে আবদুচ ছালামকে বিজয়ী করে বোয়াখালীর উন্নয়নকে এগিয়ে রাখতে চাই।
জবাবে কেটলি প্রতীকের প্রার্থী আবদুচ ছালাম বলেন, আপনারা আমার উপর আস্থা রাখতে পারেন। নির্দিষ্ট কোন একটি বিষয়ের কথা বলবোনা। আমি জানি, কালুরঘাট সেতুর বাস্তবায়নসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার আছে। আপনাদের মূল্যবান রায় নিয়ে জাতীয় সংসদে গেলে- আমি আমার সমস্ত মেধা, শ্রম ও নিষ্ঠা দিয়ে এলাকার সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে বোয়ালখালীকে একটি আদর্শ উপজেলায় পরিনত করব ইনশাল্লাহ।
ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সরোয়াতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি অতিথির বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক আফছার উদ্দিন সেলিম।
বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জানে আলম, বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন চৌধুরী, শ্রমিক লীগের সভাপতি সাইদুর রহমান খোকাসহ উপজেলা জেলা আওয়ামীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এরপর তিনি ৪৩নং আমিন কলোনী মাঠ, রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, ও মাইজ পাড়ায় উঠান বৈঠক করেন এবং কেটলি প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

