আওয়ামী লীগই জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ আমরাই স্লোগান দিয়েছি ‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব’। আমরাই স্লোগান দিয়েছি ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবো। আজকে আমরা ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছি। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছি। এই লক্ষ্য নিয়েই আমরা সামনে এগিয়ে যাবো।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে ও দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে, তার জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কেউ ভূমিহীন থাকবে না। বাবার স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করবেন। তার মুখে এগুলো শুনে শুনে বড় হয়েছি।
তিনি বলেন, এই নির্বাচন খুব শান্তিপূর্ণভাবে হতে হবে। এই নির্বাচন যাতে না হয় তা নিয়ে যে চক্রান্ত, তার সমুচিত জবাব ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা দেব। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না।
শেখ হাসিনা বলেন, আমি উন্নয়নের কথা বলতে চাই না। যেটা হয়েছে সেটা আপনারা নিজেরাই জানেন। দেশটা বদলে গেছে এখন। আমি চাই আমাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শিখবে। তারা দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে উঠবে। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ করব।
বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির আন্দোলন হলো মানুষ পোড়ানো, মানুষের ক্ষতি করা, দেশের সম্পদ নষ্ট করা। তাদের মধ্যে দেশপ্রেমও নেই, দায়িত্ববোধও নেই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশ শিক্ষায়, জ্ঞান বিজ্ঞানে প্রযুক্তিতে উন্নত সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে বিশ্বে দরবারে মাথা উঁচু করে চলবে। কারও কাছে মাথা নত করে নয়। আজকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয় ওই বিএনপি-জামায়াত জোট মিলে অগ্নি সন্ত্রাস শুরু করেছে, মানুষ হত্যা শুরু করেছে। ট্রেনের ভেতর আগুন দিয়ে মা-শিশুকে পুড়িয়ে মারছে। রাস্তা-ঘাটে যেখানে সেখানে আগুন দিচ্ছে। এই দুর্বৃত্ত পরায়ণতা আমাদের বন্ধ করতে হবে। কাজেই যে যেখানেই আছেন, এই আগুন যারা দেয়, ক্ষতিগ্রস্ত যারা করে, নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করে। ওদেরকে ধরিয়ে দিন, ওদেরকে উপযুক্ত শাস্তি দিন। সেইটাই সবার প্রতি আমার আহ্বান।

