দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, ইতিহাস-ঐতিহ্যের ক্ষেত্রে বোয়ালালী উপজেলা কোন অংশে পিছিয়ে নেই। এখানে রয়েছে বৃটিশবিরোধী আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের অনেক সাহসী পুরুষ ও নারী রয়েছে পীর আউলিয়ার আগমনের ইতিহাস।
কেটলি প্রতীকের প্রার্থী আবদুচ ছালাম আরও বলেন, আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ভোটকে উৎসবমুখর করতে প্রার্থী হয়েছি। গ্রাম ও শহরের দূরত্ব ঘোচাতে আমি কাজ করতে চাই। আমি জানি, কিভাবে সুষম উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজাতে হয়।
শহর গ্রাম নিয়ে আমার নির্বাচনী এলাকা। তারমধ্যে বিস্তীর্ণ বোয়ালখালী উপজেলা শহরের অত্যন্ত কাছে হওয়া সত্বেও কর্ণফুলী নদীর এপাড় ওপাড় দুইভাগে বিভক্ত। বহুমূখী যোগাযোগ নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করে আমি এই দূরত্ব ঘোচাতে চাই।
বিস্তীর্ণ বোয়ালখালীর পরতে পরতে জাতীয় ও সর্বধর্মীয় ঐতিহ্য। আমি এসব ঐতিহ্যকে যথযথভাবে সংরক্ষণ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরে বোয়ালখালীকে পর্যটকদের কাছে আকর্ষনের জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। বোয়ালখালী উপজেলার ভূ-বৈচিত্র অনুসারে বিভিন্ন জোনে ভাগ করে পৃথক পৃথক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি স্মার্ট উপজেলায় উন্নীত করতে চাই।
আজ বুধবার গণসংযোগকালে তিনি ভোটারদের সাথে করমর্দন, কোলাকোলি ও হৃদ্যতাপূর্ণ আলাপচারিতার মধ্য দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় ও কেটলি মার্কায় ভোট প্রার্থনা করে সকলের দোয়া প্রার্থনা করেন।
এ সময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সামশুল আলম, দক্ষিণ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা আহম্মদ হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল ইসলাম, বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা মামুনুর রশিদ মামুন, আ. লীগ নেতা রেদুয়ানুল হক টিপু, যুবলীগ নেতা মঞ্জুর মোর্শেদ, মো. সেলিম উদ্দিন, মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।
এরপর তিনি রাতে ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড আতুরার ডিপু এলাকায়, চররাঙ্গামাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মুজিব সৈনিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন।

