নির্বাচন ঠেকানোর নামে বিএনপি-জামায়াত ভয়ঙ্কর রূপে মাঠে নেমেছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন হবে কি হবে না দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে। তবে মানুষের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে চাই। জনগণ যাকে ভোট দিবে সেই নির্বাচিত হবে। দেশে গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। আওয়ামী লীগ চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবন থেকে ৬ জেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বিএনপি সন্ত্রাসীদের দল আর জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের দল। সন্ত্রাসী ও যুদ্ধাপরাধীদের দল থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালে দেশের মানুষের ওপর বিএনপি-জামায়াত যেভাবে অত্যাচার নির্যাতন করেছিল, তা ভাষা প্রকাশ করা যায় না। ’৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে তুলনা করা যায়।
শেখ হাসিনা বলেন, টানা ২০০৯ সাল থেকে ক্ষমতায় আছি বলেই বাংলাদেশ বদলে গেছে, আমরা এখন সব সূচকেই এগিয়েছি অভূতপূর্বভাবে। উন্নয়নের ধারাটা বজায় রাখতে হবে। বিএনপি অতীতের মতোই আবার নির্বাচন ঠেকানোর নামে ভয়ংকরভাবে অগ্নিসন্ত্রাস করে চলেছে। মনুষত্ববোধ থাকলে বিএনপি এসব করতে পারতো না। তাদের নেতা কে? যারা আমাকে মারতে চেয়েছিল, তারা (খালেদা জিয়া) অপরাধী হওয়া সত্ত্বেও আমি বাসায় থাকার সুযোগ করে দিয়েছি।
যারা তারেক জিয়ার হুকুমে আগুন সন্ত্রাস করছেন, তাদের পাপের ভাগিদার হতে হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তারেক জিয়ার কিছু হবে না। সে জুয়া খেলে ভালোই থাকবে। সে তো দেশেই আসে না। সাহস থাকলে দেশে আসুক। মানুষ এ আগুন সন্ত্রাসের প্রতিশোধ নেবেই।
খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা জেলা, বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলা, ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের রাঙামাটি জেলায় নির্বাচনী জনসভা করেছে আওয়ামী লীগ। এতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতারা, সংশ্লিষ্ট জেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা, থানা, পৌর আওয়ামী লীগ, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা এবং সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর নির্বাচনী এলাকার নৌকা মার্কার প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

