চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: করোনায় আক্রান্ত হয়ে আমি ১১দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। অবশ্য এটি আমার জন্য ভাগ্যের ব্যাপার। অন্যথায় আমি জানতে পারতাম না করোনা কতোটা ভয়ংকর। এছাড়া নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে আমি। এরপরও সুস্থভাবে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছি, এটিই অবিশ্বাস্য। তবে একুশে পদক পেয়ে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো, আমার মৃত্যুর পর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অর্জিত লাল সবুজের এ পতাকা আমার কফিনেও স্থান পাবে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় চবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যের এসব কথা বলেন একুশে পদক পাওয়া সাংবাদিক ও দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এমএ মালেক। এম এ মালেক বলেন, আমাদের বড় হতে হবে। কিন্তু বড় হয়ে আমাদের নিষ্কলুষ চরিত্র বিসর্জন দেওয়া যাবে না। সাধারণত আমরা এ চরিত্রটা হারিয়ে ফেলি একটা সময়। তাই যেকোনও পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং ডয়চে ভেলে অ্যাকাডেমির যৌথ আয়োজনে ২ দিনব্যাপি আন্তর্জাতিক এ কর্মশালায় সভাপতি করেন যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি শহীদুল হক।
বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, ডয়েচে ভেলের প্রিয়া অ্যাসেলবর্ন এবং কর্মশালার আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. শহিদ উল্যাহ।
দেশের পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের নির্বাচিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ, চট্টগ্রামের স্থানীয় সাংবাদিক এবং ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা এ কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন।
ডয়েচে ভেলের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর প্রিয়া এসেলবর্ন বলেন, করোনাতে আমরা লক্ষ করেছি নেতিবাচক নিউজ কিভাবে আমাদের মনকে বিষিয়ে তুলছে। তাই আমরা ভাবলাম এখনই উপযুক্ত সময় গঠনমূলক সাংবাদিকতা চর্চা করার। কারণ এটি একটি নতুন বিষয়, যা এখনও অনেকের কাছে অপরিচিত। আশাকরি এ চর্চা, মানুষের সংবাদ বিমুখতা দূর করবে।

