গতকাল বৃহস্পতিবার(৩রা জানুয়ারী) নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ কমিটির সদস্য জনাব শহিদুল্লাহর ফেসবুক আইডিতে তাঁর করা একটি পোস্ট ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। জেলার রাজনীতিতে গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে একমাত্র আলোচিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সেই পোস্ট।
বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এসে কিছু কর্মীর অসহায়ত্ব দেখে তিনি পোস্টটির মাধ্যমে দলীয় প্রধান ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন। স্লোগান পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।
“দল বেচার টাকা থাকলে নিজস্ব লীগ বানিয়ে টাকার ভান্ডারকে আকাশসম করা যায়।আসল মুজিব সৈনিকদের তাড়িয়ে দিয়ে ভাই লীগ,বাবা লীগ বানানো যায়।আমাদের আপত্তি কাজে আসবেনা,দূর্নীতি দমন কমিশনের ঘুম আমরা ভাঙাতে পারবোনা।কিন্তু সেই ভাই লীগ, বাবা লীগের মহা ভাগ্যবানরা গত নাসিক নির্বাচনে জাতির পিতার কন্যার দেওয়া নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে কি অশ্লীল প্রচারণা,মন্তব্য করেছে অব্যাহত ভাবে তা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ স্বচক্ষে দেখে গেছেন।সোনার পালঙ্কে শুয়ে রাতদিন নৌকা ডোবাতে মরিয়া চেষ্টা করেছে তাও দেখে গেছেন।
আমরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা নারায়ণগঞ্জের আমজনতাকে নিয়ে হাতির বিশাল পায়ের পাড়ার যন্ত্রণা সহ্য করে সেই হাতিকে আফ্রিকার জঙ্গলে তাড়িয়ে নেত্রীর নৌকাকে বিজয়ের বন্দরে নোঙর করিয়েছি। তাহলে কাদের শক্তি বেশি?
যে শক্তি হাতির পালে উঠে নৌকা ডোবাতে চেয়ে মুজিব সৈনিকদের প্রহরায় নিজেরাই ডুবেছে তাদের,
নাকি জাতির পিতার সৈনিকদের?
আজো কেনো দেখতে হচ্ছে কোন কোন অসহায় বঙ্গবন্ধুর সৈনিক দলীয় কার্যালয়ে এসে অশ্রুসজল চোখে বলেন,নৌকার নির্বাচন করার অপরাধে সেই ভাই লীগ, বাবা লীগারদের হাতে মার খেতে হচ্ছে, বাড়ীতে যেতে পারছেনা?সেই ব্যক্তিলীগের প্লেয়ারদের দম্ভোক্তি,তাঁদের ছাড়া নাকি নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি চলবেনা। জাতির পিতার কন্যা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শহিদুল্লাহ বলেন, ঐ ভাই বাবালীগাররা দলের সম্পদ হতে পারেনা।তাঁদের অভিসাপ রুপেই দেখেছি জাতির পিতাকে স্ব পরিবারে হত্যা করার পর।”
তাঁর সেই পোস্ট ইতিমধ্যে ভাইরাল আর সহমত প্রকাশ করা কমেন্টে ভরে উঠেছে। বলার অপেক্ষা রাখেনা, নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গন সামনের দিনে উত্তপ্ত হতে চলেছে।

