বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

হারবাংয়ের বিধবা জাহানারা তিন কন্যা নিয়ে এখন শুধু চারিদিকে অন্ধকার দেখছেন

 ষাটোর্ধ বিধবা জাহানারা বেগম এখন চোখে ঘুর অন্ধকার দেখছে। পেটে ভাত নেই, চোখে ঘুম নেই, মুখ বন্ধ। ভবিষ্যৎ কোন মাথা ঘুজার ঠাই নেই। দিন চলছে অর্ধাহারে, অনাহারে, খোলা আকাশের নীচে। তার উপর আবার গেল বন্যায় পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বড় ছেলে শাহজাদা আলাল ফারুকী বাদশা(৩৫) গত ৭ আগষ্ট ভয়াবহ বন্যায় পানিতে ডুবে নিজ বাড়ীর চৌকির নীচে মারা যাওয়ায় এই পরিবারটি এখন আরও বেশী আর্থিক দৈন্যতায় পড়েছে। বর্তমানে জাহানারা তিন মেয়ে ও নাতী নাতনীদের নিয়ে চরম অর্থ সংকটে দিন যাপন করছন।
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের জমিদার পাড়া গ্রামের মরহুম কুতুবউদ্দিন ফারুকীর স্ত্রী হল জাহানারা বেগম। ১২ বছর আগে স্বামী ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে স্ত্রী জাহানারা ৩ মেয়ে ২ সন্তান নিয়ে জীবনের সাথে যুদ্ধ করে চরম অর্থ কষ্টে তাদের কুলে পিঠে করেবড় করে তুলেন। এমন কি এই দূরস্হায় তাদের পড়া লেখা ও চালিয়ে নিচ্ছিলেন মা। কিন্তু অভাব অনটনে মাঝ পথে থমকে গেলেন। বর্তমানে জাহানারার বড় মেয়ে শাহজাদী জাহান ফারুকীর বিয়ে হলে ও এক মেয়ে সন্তান কে নিয়ে বারার বাড়ি আছেন দীর্ঘ দিন। ২য় মেয়ে শাহজাদী আলভি ফারুকীর বিয়ে হলে ও ২ সন্তান নিয়ে স্বামীর বাড়িতে সুখী নেই। ৪র্থ ছেলে দুলাল ফারুকী সম্রাট (৩২), সেও ৩ বছর আগে অসুস্থ হয়ে মারা যায়। ছোট মেয়ে নুসরাত জাহান স্মৃতি ও কোন মতে স্বামীর বাড়িতে দিন যাপন করছে। বিধবা জাহানারার এখন পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি কেহ নেই। গতকাল দুপরে সরেজমিনে বৃদ্ধ জাহানারার বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে সে মেয়ে ও নাতী নাতনীদের নিয়ে খোলা আকাশের নীচে বসে আছে। কাঁচা ঘরের কোন বেড়া নেই, ঘরের উপর চালা নেই। গাছের কোন খুটি নেই। ঘরের ভেতর কাদা মাটির স্হর। সে জানাল দুপরে রান্নাও হয়নি। চুলার ভেতর পানি।
জাহানারা জানার গত ৭ আগষ্টের ভয়াবহ বন্যায় প্রবল স্রোতে বাড়ির ভেতর পানি ঢুকে পড়ে। এসম তার ছেলেটা পানিতে পড়ে মারা যায়। বাড়ি ঘর ভেঙ্গে লন্ডভন্ড হয়ে যায়। তিনি আরও বলেন বন্যায় ছেলে হারালাম ঘরবাড়ি সব হারালাম কিন্তু কোন জন প্রতিনিধি বা বিত্তশালী ব্যক্তি তাদের দেখতে আসেনি। এদিকে ক্ষতি গ্রস্হ জাহানারা আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়ে হারবাং ইউপি চেয়ারম্যান মিহরাজ উদ্দীনের মাধ্যমে চকরিয়া- পেকুয়া আসনের মাননীয় সাংসদ বরাবর একটি দরখাস্ত করেছেন বলে জানা গেছে। তাই সরকারী বেসরকারী কোন সহযোগিতা পেলে এই পরিবারটির হয়তো মাথা গুজার ঠাই হবে।

এই বিভাগের সব খবর

নগরের সৌন্দর্য বিনষ্টকারী স্থাপনা অপসারণ করলেন চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম নগরের সৌন্দর্য রক্ষা, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নাগরিকদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার অপসারণ...

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ২টি অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

জেলার আনোয়ারায় কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (কেইপিজেড) ও চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার। বুধবার বেলা...

২০৩০ বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিদর্শনে ফিফার প্রতিনিধি দল

২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপের ভেন্যু নির্বাচনের অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বরে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর সম্ভাব্য আয়োজক শহরগুলো পরিদর্শন করবে ফিফা। মঙ্গলবার বিশ্ব ফুটবলের...

সর্বশেষ

নগরের সৌন্দর্য বিনষ্টকারী স্থাপনা অপসারণ করলেন চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম নগরের সৌন্দর্য রক্ষা, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং...

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ২টি অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

জেলার আনোয়ারায় কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (কেইপিজেড) ও চায়না...

২০৩০ বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিদর্শনে ফিফার প্রতিনিধি দল

২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপের ভেন্যু নির্বাচনের অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর...

পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থিরতা নিরসনে রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐকমত্য প্রয়োজন: মীর হেলাল

পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান অস্থিরতা ও সংঘাত নিরসনে দলমত নির্বিশেষে...

রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য আমদানির পাইপলাইনে রয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে...

কর্ণফুলী ওপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু নির্মাণের উদ্যোগ

খরস্রোতা কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম...