টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় এখনও স্বাভাবিক হয়নি যান চলাচল। মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) দিনগত রাত থেকে পানি কমতে শুরু করে। তবে, পানি কমার গতি খুবই ধীর।
আজ বুধবার ভোর ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা গেছে, মঙ্গলবার দিনগত রাতে পানি কমেছে মাত্র দুই ফুট। কেরানিহাট-বান্দরবান সড়ক ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ডুবে যাওয়া একাধিক স্থানে পানি কমছে। তবে, যান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।
সোমবার (৭ আগস্ট) রাত ১০টা থেকে পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে, সাতকানিয়ার চরতীতে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সময় নৌকাডুবিতে নারী ও শিশুসহ চারজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে প্রশাসন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়ায় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বন্যার পানিতে। তিনদিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে পুরো এলাকা।
চন্দনাইশের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিমরান মোহাম্মদ সায়েক জানান, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর, দোহাজারী, কেরানীহাটসহ বিভিন্ন এলাকা এখনও জলমগ্ন। তাই যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

