একসময় বিএনপির “ভ্যানগার্ড” হিসেবে পরিচিত দলটির ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বিগত পনেরো বছর ধরে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে ব্যর্থ। দেশের দুয়েকটি জেলায় ছাত্রদল সক্রিয়তা দেখালেও দেশজুড়ে ধারাবাহিক ভাবে নিষ্ক্রিয় থেকে থেকে এখন নখদন্তহীন বাঘে পরিণত হয়েছে। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মনোনীত করেছিলেন রওনক উল ইসলাম শ্রাবনকে।সে তৃনমূলে বেশ জনপ্রিয় ছাত্রনেতা হিসেবে প্রমাণিত।
সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপির সরকার বিরোধী চুড়ান্ত আন্দোলনের কয়েকটি কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে শ্রাবনের সাথে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতার মতবিরোধ দেখা দেয়।ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা শাওনের হয়েই নিজেদের অবস্থান জানান দিলে বিএনপির অভ্যন্তরে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।বিশেষ করে মিডিয়ায় প্রকাশ হয়ে যাবার আশংকা বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে স্বস্তিতে থাকতে দিচ্ছিলোনা।
এহেন বিব্রতকর পরিস্থিতি অবসানে আজ ৮ আগষ্ট মঙ্গলবার দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ছাত্রদলের সাথে আলোচনায় বসেন।মিডিয়াকে বলা হয়,দলের রুটিন বৈঠকে বসবেন তাঁরা। সন্ধ্যায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি রওনক উল ইসলাম শ্রাবন শারীরিক ভাবে অসুস্থ থাকায় তাঁকে সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করে রাশেদ ইকবাল খাঁনকে সভাপতির দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রাশেদ সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। অথচ রওনক উল ইসলাম শ্রাবন তখন কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছিলেন।বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইলে বিএনপির কোন নেতাই এনিয়ে কোন মন্তব্য করেননি।

