দীর্ঘ সতেরো বছর ধরে দেশের মিডিয়ার একটি অংশের বিরুদ্ধে লড়াই করে দাপটের সাথে টিকে থাকা বরেন্য রাজনীতিবিদ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাহস বলে খ্যাত আলহাজ্ব একেএম শামীম ওসমান আরও একবার ভুল প্রমান করলেন মিডিয়ার সেই হলুদ অংশটাকে।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের আমেরিকার ভিসা বাতিল হয়েছে বলে সম্প্রতি ব্যাপক অপপ্রচার চালিয়েছিলো স্থানীয় ও জাতীয় কয়েকটি মিডিয়া।তবে এমন সেই অপপ্রচারকে মিথ্যা প্রমাণ করে এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী লিপি ওসমান।
১২ জুলাই বুধবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় এ দম্পতি নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে পৌঁছান। গতরাতে শামীম ওসমানের একমাত্র ছেলে অয়ন ওসমান এ সম্পর্কিত একটি ভিডিও তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে আপলোড করেছেন।সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন,তাঁর বাবা ও মা নিরাপদে নিউইউর্কে পৌঁছেছেন। এর আগে খবর প্রকাশিত হয়েছিল যে,শামীম ওসমানের ভিসা বাতিল হয়ে গেছে।সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকার পক্ষ থেকে দেশের বেশ কয়েকজনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।তবে সবার নাম প্রকাশ করা হয়নি।এই সুযোগে তথাকথিত মিডিয়াগুলো নিষেধাজ্ঞার সেই তালিকায় শামীম ওসমানের নামও আছে বলে সংবাদ পরিবেশন করতে থাকে।যদিও শামীম ওসমান সম্প্রতি একাধিক বক্তব্যে এটি অস্বীকার করে জানিয়েছিলেন,তাঁর ভিসার মেয়াদ ২০২৬ সাল পর্যন্ত রয়েছে।
এদিকে আমেরিকা পৌঁছে শামীম ওসমান অডিওবার্তায় বলেন,যাঁরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের এই বিষয়গুলো নিয়ে অপপ্রচার চালায় তারা বাংলাদেশের বন্ধু না দুশমন।তাঁদের মনে রাখতে হবে যে,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গণতান্ত্রিক দেশ এবং বাংলাদেশও একটি গণতান্ত্রিক দেশ। এ ধরনের অপপ্রচার যারা চালায় তাদেরই ইয়েলো জার্নালিস্ট বলে।
প্রকৃতপক্ষে যা অস্বীকার করার উপায় নেই। এসব হলুদ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে গত সতেরো বছর ধরে লড়াই করে টিকে থাকা এই রাজনীতিবিদ আরও একবার জিতে গিয়ে প্রমান করলেন “সত্যের গুঁড় অন্ধকারেও মিষ্টি” বললেন শহরের বাসিন্দা হাজী আকবর আলী নামের এক ষাটোর্ধ ব্যক্তি।বলাই বাহুল্য ভদ্রলোক নারায়ণগঞ্জের লাখো মানুষের মনের কথাই যেনো বললেন।
