বাংলাদেশকে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করার জন্য বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইজার।তিনি বলেন,বাংলাদেশ ক্রমাগত বাহ্যিক চাপের মুখোমুখি হচ্ছে।এর জন্য দেশটির সতর্ক সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।
আজ ১৩ ই জুন মঙ্গলবার তাঁর দুইদিনের বাংলাদেশ সফরের শেষ দিনে তিনি এই আশ্বাস দেন।তবে আরো বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য, কাঠামোগত সংস্কারকে আরো গভীর করা,কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং জলবায়ু বিপর্যয়গুলোর বিরুদ্ধে স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন মার্টিন রাইজার।খবর ইউএনবির। দক্ষিণ এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে তিনি বাংলাদেশ সফর করেছেন।মার্টিন রাইজার বলেন,বিশ্বব্যাংক তার দেশভিত্তিক নতুন কৌশল এবং বিদ্যমান বৃহৎ পোর্টফোলিও দ্রুত বাস্তবায়ন কৌশলের অধীনে সহায়তা দ্বিগুণ করতে প্রস্তুত রয়েছে। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর,জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী,অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।তারা ২০২৩-২৭ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে নতুন কান্ট্রি পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক এবং সেইসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা কিভাবে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা এবং ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সহায়তা করা যেতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা করেন।
মার্টিন রাইজার বিশ্বব্যাংক সমর্থিত প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর আহ্বান জানান। এদিকে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ মঙ্গলবার উচ্চশিক্ষা খাতকে শক্তিশালী করতে এবং কোভিড-১৯ মহামারীতে আরো ভালোভাবে সাড়া দিতে ১৯ কোটি ১০ লাখ ডলারের অর্থায়ন স্বাক্ষর করেছে।উচ্চশিক্ষার দ্রুত রূপান্তর প্রকল্প; উচ্চশিক্ষায় আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনে সহায়তা করবে। এটি আরো বেশি নারীকে মানসম্মত শিক্ষা পেতে সহায়তা করবে। মার্টিন রাইজার-এর উপস্থিতিতে, বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান এবং বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক যথাক্রমে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

