আজ ১৩ ই জুন মঙ্গলবার সিরিয়ায় একটি হেলিকপ্টার দূর্ঘটনায় কমপক্ষে ২২ জন মার্কিন সেনা সদস্য আহত হয়েছে।তাঁদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বলেছে যে উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ২২ জন মার্কিন সেনা সদস্য আহত হয়েছে।যদিও দুর্ঘটনার সময় শত্রুর কোনো গুলি চালানোর খবর পাওয়া যায়নি।সেবা সদস্যরা তাদের আঘাতের জন্য চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং ১০ জনকে সেন্টকম এওআর [ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড এরিয়া অফ রেসপনসিবিলিটি]-এর বাইরে উচ্চতর যত্নের সুবিধাগুলিতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী সোমবার এক বিবৃতিতে একথা বলেছে।ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় রোববার দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণের জন্য তদন্ত চলছে। ২০১৫ সাল থেকে সিরিয়ায় কর্মরত মার্কিন বাহিনী আইএসআইএল (আইএসআইএস) যোদ্ধা এবং দেশটিতে সক্রিয় ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলির বিক্ষিপ্ত আক্রমণের শিকার হয়ে আসছে। আইএসআইএল (আইএসআইএস)-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসকে সহায়তা করার জন্য অপারেশনের অংশ হিসেবে অজ্ঞাত সংখ্যক মার্কিন সামরিক ঠিকাদার সহ সিরিয়ায় অন্তত ৯০০ মার্কিন সৈন্য মোতায়েন রয়েছে। গত মার্চ মাসে ইরান ও সিরিয়ার সরকার সিরিয়ার মাটিতে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন বাহিনীর নিন্দা করেছিল।ঐ হামলায় ১৯ জন লোককে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে। মার্কিন বাহিনীর সেই হামলার পর ইরানের তৈরি সন্দেহভাজন ড্রোন হামলা চালিয়ে হাসাকেহ শহরের কাছে দেশের উত্তর-পূর্বে মার্কিন ঘাঁটিতে একজন মার্কিন ঠিকাদারকে হত্যা ও অন্যজনকে আহত করেছে।একই সাথে পাঁচজন মার্কিন সেনাকে আহত করেছিলো। মার্কিন বাহিনীর আক্রমণগুলি F-15 যুদ্ধবিমান দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।
যা তিনটি অবস্থানে আঘাত করেছিলো।পুরোটাই সিরিয়ার সীমান্তবর্তী পূর্ব সিরিয়ার একটি অঞ্চল দেইর আজ জোরের আশেপাশে। গত এপ্রিলে মার্কিন বাহিনী বলেছিল যে তারা সিরিয়ায় একটি হেলিকপ্টার অভিযানে আইএসআইএল (আইএসআইএস) এর একজন সিনিয়র ব্যক্তিত্ব এবং গ্রুপের অন্য দুই সদস্যকে হত্যা করেছে।আজকের হেলিকপ্টার দূর্ঘটনা সেই ঘটনার প্রতিশোধমূলক কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্র:-আল জাজিরা ও রয়টার্স।

