ভারতের ওড়িশার বালাসোরে বিপর্যয়কর ট্রিপল ট্রেন সংঘর্ষের কারণ শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের মুখপাত্র ও রেল মন্ত্রনালয়।দূর্ঘটনার কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে এবং শীঘ্রই একটি প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হবে,রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব রবিবার বলেছেন। এ পর্যন্ত ২৮৮ জন প্রাণ হারিয়েছে এবং এক হাজারেরও বেশী আহত হয়েছে সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী ট্রেন দুর্ঘটনাগুলির মধ্যে একটি করমন্ডল এক্সপ্রেস ট্রাজেডীতে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বালাসোর জেলার বাহানাগা বাজার স্টেশনে দুটি যাত্রীবাহী ট্রেন এবং একটি পণ্যবাহী তিনটি পৃথক ট্র্যাকে বিরল সংঘর্ষ হয়।যার ফলে ১৭ টি কোচ লাইনচ্যুত হয় এবং গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গতকাল ৩রা জুন মিঃ বৈষ্ণব, সংবাদ সংস্থা এএনআই -এর সাথে কথা বলার সময়ও বলেছিলেন যে পুনরুদ্ধারের কাজের পর্যালোচনার পরে আজ রবিবারের মধ্যে ট্র্যাকটি পুনরুদ্ধার করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।তিনি বলেন,এই দুর্ঘটনার মূল কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে।
গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আমরা আজ ট্র্যাক পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করব। সব লাশ সরিয়ে ফেলা হয়েছে।আমাদের লক্ষ্য হল বুধবার সকালের মধ্যে পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ করা যাতে ট্রেনগুলি এই ট্র্যাকে চলতে শুরু করতে পারে। ভারতীয় বিমান বাহিনী (IAF) বেসামরিক প্রশাসন এবং ভারতীয় রেলওয়ের সাথে সমন্বয় করে কাজ করে মৃত ও আহতদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য Mi-17 হেলিকপ্টার মোতায়েন করেছে।ইস্টার্ন কমান্ডের মতে, এই মর্মান্তিক ঘটনার পরের পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রেলপথ মন্ত্রক সক্রিয়ভাবে পুনরুদ্ধারের কাজে নিযুক্ত রয়েছে। যা বালাসোরে যুদ্ধ পর্যায়ে চলমান রয়েছে। একটি টুইট বার্তায়, মন্ত্রক বলেছে যে ১০০০ জনেরও বেশি লোক, সাতটিরও বেশি পোক্লেন মেশিন, দুটি দুর্ঘটনা ত্রাণ ট্রেন এবং তিন থেকে চারটি রেলওয়ে ও রোড ক্রেন দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে।ওড়িশার বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলে ওয়ারফুটিংয়ে পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে।একহাজারের বেশী জনবল অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন উদ্ধার কাজে,যাঁদের বেশীর ভাগই স্বেচ্ছাসেবী মন্ত্রকের একটি টুইটে বলা হয়েছে। সূত্র:- এনডিটিভি ও হিন্দুস্তান টাইমস।

