ইউক্রেন সীমান্তবর্তী বেলগোরোড অঞ্চলে যুদ্ধ দ্বিতীয় দিনে প্রবেশ করার সাথে সাথে রাশিয়ান কর্মকর্তারা বলছেন যে বিমান বিধ্বংসী অস্ত্র দ্বারা ড্রোনগুলিকে গুলি করা হয়েছিল।আটজন আহত হয়েছে এবং কিছু বাসিন্দা পালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। রাশিয়ার অভিযোগ,ইউক্রেন সেনারা গতকাল বেলগ্রোড শহরে হামলা চালায়,তাদের ভাষায় ওটা ছিলো সন্ত্রাসী হামলা।সেই হামলার প্রতিশোধ নিতে রাশিয়া ইউক্রেন সীমান্তবর্তী বেলগ্রোডে অব্যাহত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
যদিও ইউক্রেন রাশিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে কিয়েভ হামলার পিছনে ছিলোনা।ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে যে দুটি সশস্ত্র রাশিয়ান বিরোধী দল লিবার্টি অফ রাশিয়া লিজিয়ন এবং রাশিয়ান ভলান্টিয়ার কর্পস(উভয়ই রাশিয়ান নাগরিকদের সমন্বয়ে গঠিত) ঐ হামলার জন্য দায়ী।রাশিয়া তাঁদের ব্যাখ্যা মানতে রাজি নয়।তাই দ্বিতীয় দিনের মতো হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া।বার্তা সংস্থা আরআইএ রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যানকে উদ্ধৃত করে বলেছে যে বেলগোরোডে সশস্ত্র অনুপ্রবেশের সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে কিয়েভের অস্বীকার সবই “মিথ্যা নাটক। এদিকে জি সেভেন বৈঠকে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা ও জেলেনস্কিকে এফ-১৬ ফাইটার দেওয়ার আমেরিকান ঘোষণার পর “এটা পুরো ইউরোপে পারমাণবিক যুদ্ধকে তরান্বিত করবে” হুশিয়ারী দেওয়ার পর দ্বিতীয় বারের মতো একই ধরনের হুঁশিয়ারি দিলেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ।
বার্তা সংস্থা আর আই এ জানায় প্রাক্তন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন যে ইউক্রেন তার পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে যত বেশি ধ্বংসাত্মক অস্ত্র পাবে, তত বেশি পারমাণবিক সর্বনাশের ঝুঁকি বাড়বে। ক্রেমলিনও বলেছে যে পশ্চিমা দেশগুলির দ্বারা ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তার আরও প্রতিশ্রুতি পরিস্থিতির পরিবর্তন করবে না।সাংবাদিকদের সাথে এক ফোন কলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন যে ইউক্রেনকে আধুনিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান সরবরাহ করা সুস্পষ্ট পারমানবিক ঝুঁকি নিয়ে আসবে। সূত্র:-আল জাজিরা ও রয়টার্স।

