চট্টগ্রামে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলায় অভিযুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজন শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং যুবদল নেতা হত্যা মামলার আসামি। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।
তিনি জানান, গত ১৩ জুন রাউজানের পাহাড়তলী এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সহসভাপতি মাকসুদুল হক চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়।
তদন্তের ধারাবাহিকতায় গতকাল রোববার সন্ধ্যার পর সীতাকুণ্ড উপজেলার শীতলপুর এলাকায় স্থাপিত বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. দিদার আলম (৩০) ও মো. আফসার মিয়াকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য দিয়েছেন।
তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দিবাগত রাতে রাউজান উপজেলার জুরেরকুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৭ দশমিক ৬৫ ক্যালিবারের দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দিদার আলমের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ ১০টি এবং আফসার মিয়ার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগে ৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিভিন্ন আলোচিত অপরাধেও তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য তদন্তে পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

